প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গ্রাহক মায়ের দুধ পর্যাপ্ত না থাকলে দুধ খাওয়ার সময় শিশুর মুখে প্রচুর বাতাস ঢুকে যায়। এই বাতাস পাকস্থলি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় কিছু দুধ নিয়ে বের হয়। এই বের হওয়া দুধ যাকে `তুলে দেওয়া` বলা হয়, আপনি হয়তো সেটাকেই বমি ভাবছেন। খাবারের গোলমাল হলেও শিশুর বমি হতে পারে। কখনো অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়ার ফলেও শিশুরা বমি করতে পারে। আবার খাবারের পরিবর্তন আনলেও শিশুর বমি হতে পারে। নবজাতকের বমির প্রধান কারণ হচ্ছে অতিরিক্ত বা খুব অল্প সময়ে ব্যবধানে ঘন ঘন খাওয়ানো। এতে করে অতিরিক্ত খাবার বমির আকারে বেরিয়ে আসে। আবার জোর করে শিশুদের খাওয়ালেও তারা বমি করে দেয়। শিশুর বমি প্রতিরোধ করতে সবার আগে তাকে জোর করে, অতিরিক্ত পরিমাণে, ঘন ঘন বা অনেক দেরিতে খাবার খাওয়ানো বন্ধ করতে হবে। এছাড়া নবজাতকের ক্ষেত্রে খাওয়ার পর শিশুর ঢেকুর তোলাতে হবে। শিশুর বমি সব সময় যে খারাপ তা কিন্তু নয়। তাই বমি নিয়ে প্রথমেই বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। বমির পরবর্তীতে যা করতে পারেন তা হল- যতবার বমি হবে ততবারই বুকের দুধ খাওয়াবেন। যে সব শিশু ঘন ঘন বমি করে, তারা নিস্তেজ হয়ে পরছে কিনা তা খেয়াল করতে হবে। সেই সঙ্গে শিশু স্বাভাবিকভাবে খেলাধুলা করছে কিনা, প্রস্রাবের পরিমাণ ঠিক আছে কি না, তা খেয়াল করুন। আবার বমির সঙ্গে জ্বর, রক্ত গেলে, পায়খানা বন্ধ হলে, পেট ব্যাথা বা পেট ফেঁপে উঠলে বা বমির রং হলুদ কিংবা সবুজ হলে ডাক্তারের কাছে নিতে হবে। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আপনার আর কোনো প্রশ্ন থাকলে মায়াকে জানবেন।মায়া সব-সময় আপনার পাশে আছে। ধন্যবাদ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও