প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রথমেই বলি গরুর দুধ জাল দিলে নষ্ট হয় না। বরং জাল না দিয়ে কাঁচা খেলে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।, অনেকেরই কাঁচা দুধ খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে, আবার অনেকে দুধ খুব ভালো করে জ্বাল না দিয়েই পান করে থাকেন। অনেকের মতে প্রাকৃতিক অ্যান্টিবডিস যা কাঁচা দুধে রয়েছে তা জ্বাল দিলে নষ্ট হয়ে যায়, সুতরাং কাঁচা দুধই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। কিন্তু আপনি জানেন কি, কাঁচা দুধ মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ায়? গবেষণায় দেখা যায়, কাঁচা দুধ পানের কারণে ডায়রিয়া, বমি, পেটে ব্যথা, জ্বর এমনকি মারাত্মক কিডনি নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। গবেষকগণ বলেন, ‘দ্য সায়েন্টিফিক লিটারেচার প্রমাণ করে যে, পাস্তুরাইজড দুধের তুলনায় কাঁচা দুধ পান নানা ধরণের খাদ্য সংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি বাড়ায় প্রায় ১০০ গুণ বেশি’। আগে ভাবা হতো কাঁচা দুধ, যার মধ্যে প্রাকৃতিক অ্যান্টিবডিস, প্রোটিন এবং ব্যাকটেরিয়া রয়েছে তা পাস্তুরাইজড দুধের চাইতে বেশি স্বাস্থ্যকর এবং খেতেও বেশ সুস্বাদু। এবং এটিও ভাবা হতো যে কাঁচা দুধ পান করার কারণে ল্যাক্টোস ইন্টলারেন্স এবং দুধে অ্যালার্জি কমে যায়। কিন্তু নতুন গবেষণায় পাওয়া যায়, যে মাইক্রোবিয়াল কন্টামিনেটস দুধে পাওয়া যায় তার মধ্যে রয়েছে স্যালমোনেলা, ক্যামপিলোব্যাকটার, এবং লিস্টেরিয়া। এই ব্যাকটেরিয়াগুলো খাদ্য সংক্রান্ত রোগ বিশেষ করে বাচ্চা, গর্ভবতী নারী এবং বয়স্ক মানুষের মধ্যে এইধরনের রোগ বেশি হয়। জার্নালে প্রকাশিত ১০০০ আর্টিকেলে প্রকাশ হয় এই কাঁচা দুধ খাওয়ার সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কে। - কাঁচা দুধ পানের ফলে ফুড পয়েজনিং ধরণের সমস্যা দেখা দেয়, এবং নানা ছোটোখাটো রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যায় - মাঝে মাঝে মারাত্মক কিছু সমসসার সম্মুখীন হতে হয় যেমন, কিডনি নষ্ট হওয়া, স্ট্রোক ইত্যাদি। - কাঁচা দুধ পানের ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত শিশু, গর্ভবতী নারী এবং বয়স্ক মানুষের অর্থাৎ যাদের দেহের ইমিউন সিস্টেম একটু দুর্বল। গবেষণায় বলা হয়, ‘সায়েন্টিফিক লিটারেচার মতে, কাঁচা দুধ পান করা যতটা স্বাস্থ্যকর মনে করা হতো ঠিক তা নয়, বরং কাঁচা দুধে স্বাস্থ্যহানিকারক উপাদানই বেশি রয়েছে। ছোটোখাটো নানা সমস্যা সহ অনেক মারাত্মক কিছু সমস্যাও হতে পারে কাঁচা দুধ খাওয়ার অভ্যাসের কারণে। বিশেষ করে যাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একটু কম তারা খুব সহজেই আক্রান্ত হয়ে পড়তে পারেন নানা শারীরিক সমস্যায়। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও