প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।শরীর-মন ভালো রাখতে শরীরের অনুশীলনের বিকল্প নেই। সুস্থ থাকতে খাবারের পাশাপাশি নিয়মিত অনুশীলন না করলে শরীর অকালেই ব্যাধি-জরার কবলে পড়বে। অনেক সময় হয়তো বাইরে জিমে যাওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। তারা বাড়িতে বসেই কিছু অনুশীলন বা এক্সারসাইজ করে নিতে পারেন। অ্যারোবিক শব্দের অর্থ 'উইথ অক্সিজেন' অ্যারোবিক ওয়ার্ক-আউটের ফলে শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ে, হার্ট, ফুসফুস, বল্গাড ভেসেল অর্থাৎ সমগ্র কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেম ভালো রাখে। অ্যারোবিক এক্সারসাইজ মূলত শরীরের বড় মাংসগুলোকে টার্গেট করে। নিয়মিত এক্সারসাইজে হার্টবিটে রক্ত পাম্প করতে পারে। ফলে শরীরের টিস্যুতে বেশি পরিমাণ অক্সিজেন পেঁৗছে সহজেই। এতে ফিটনেস লেভেল বেড়ে যায়। আর তার জন্য হাঁপানি ছাড়াই অনেকক্ষণ এক্সারসাইজ করতে পারেন।অ্যারোবিক এক্সারসাইজ করতে পারেন যারাঅ্যারোবিক এক্সারসাইজ মোটামুটি সবাই করতে পারেন। তবে যাদের বয়স ৪০-এর ঊধর্ে্ব তারা এক্সারসাইজের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ডায়াবেটিস, হার্টের অসুখ, হাই বল্গাডপ্রেশার বা যে কোনো শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন কিংবা ওবেসিটিতে ভোগার কারণে দীর্ঘদিন ইন অ্যাক্টিভ ছিলেন তারাও এক্সারসাইজের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিতে পারেন। অবশ্য দেখা গেছে যে, ডায়াবেটিস, ওবেসিটি, আর্থ্রাইটিস, প্রিমেসস্টুয়াল সিন্ড্রোম বা হার্টের রোগে ভুগছেন তারা অ্যারোবিক এক্সারসাইজে অনেক উপকৃত হয়েছেন।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও