মায়া আপাতে আপনার মনের একান্ত কথাগুলো শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ । বুঝতে পারছি আপনার মধ্যে কতটা মানসিক চাপ বোধ হচ্ছে। প্রতিটি সম্পর্ক সুন্দর রাখতে আসলে দুজনের সমান অংশগ্রহণ প্রয়োজন। আপনার স্বামীর অপূর্ণ চাহিদাগুলো বোঝার চেষ্টা করুন। এ ব্যাপারে তার সাথে সরাসরি কথা ব্লুন। এই বৈবাহিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার ভাবনা কি তা জানার চেষ্টা করুন। আপনার চাওয়া ও চাহিদাগুলোর ব্যাপারে নিজে সচেতন হোন আর তাকেও স্পষ্টভাবে তা জানান। আপনি যে ভালোবাসার ঘাটতি অনুভব করছেন তা তাকে জানাতে পারেন। পারস্পরিক সম্পর্ক সুন্দর রাখতে একটি উপকারী প্রক্রিয়া হচ্ছে Non Violent Communication, প্রথমে আপনি আপনার অব্জার্ভেশন তার সামনে তুলে ধরুন। খেয়াল রাখবেন যেন আপনার পর্যবেক্ষণ জেনারেল না হয়ে যায় এবং পর্যবেক্ষণ বলতে গিয়ে আপনি যেন জাজমেন্টাল হয়ে না পড়েন। পরের ধাপে ঐ ঘটনায় আপনার কেমন অনুভুতি হয়েছিল বা আপনার কেমন লেগেছিল সেটি উল্লেখ করুন। আপনার আবেগের জায়গাটা এখানে প্রকাশ করবেন। খেয়াল রাখবেন, এটা করতে গিয়ে আপনি যেন তাকে দোষ না দিয়ে ফেলেন। এবং আঘাত না দিয়ে ফেলেন। তৃতীয় ধাপে, আপনি আপনার কোন চাহিদা থেকে এই অনুভুতি প্রকাশ করেছেন তা বলুন। আপনার কি ভালোবাসার চাহিদা, না কি সম্মানের, নাকি নিরাপত্তার চাহিদা। চাহিদাগুলো এখানে নির্দিষ্টভাবে প্রকাশ করুন।সবশেষে আপনি তাকে আপনার প্রত্যাশার জায়গাটা অনুরোধের স্বরে বলতে পারেন। আপনি তার কাছ থেকে কি ধরণের আচরণ আশা করছেন তা প্রকাশ করুন। পুরো বিষয়টা চর্চার বিষয়। একবারে হবে না। তাই সময় নিয়ে চর্চা করুন, তারপর কমিউনিকেট করুন। আশা করছি এতে কিছুটা হলেও উপকার পাবেন। পাশাপাশি নিজের প্রতি মনোযোগী হবার চেষ্টা করুন। নিজেকে স্বনির্ভর করে গড়ে তোলার চেষ্টা করুন। আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান হতে চেষ্টা করুন। গর্ভাবস্থায় মায়ের মানসিক চাপ আসন্ন শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য বাঁধা হয়ে উঠতে পারে। তাই অনাগত শিশুটির কথা ভেবেও নিজেদের মধ্যে আলোচণার মাধ্যমে কোন সমাধানে আসা যায় কি না ভেবে দেখুন। আপনার জন্য শুভ কামনা থাকলো। পরবর্তীতে আর কোন প্রশ্ন থাকলে মায়া আপাতে জানান। পাশে আছি সবসময় মায়া আপা। 

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও