মায়া আপাতে আপনার মনের একান্ত কথাগুলো শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ । বুঝতে পারছি পারিবারিক জীবনে আপনি এসব কারণে কিছুটা হতাশা বোধ করছেন। আপনার স্বামীর সাথে আপনার স ম্প র্ক কেমন? আপনাদের বিবাহিত জীবন কতদিনের? স ম্প র্কের শুরু থেকেই কি এই অসুবিধা গুলো বোধ করছেন? বোন  পৃথিবীতে প্রতিটি মানুষ ভিন্ন। তাই তাদের চিন্তা ভাবনা আচার আচরণ সবই ভিন্ন । অন্যের আচরণ ও চিন্তা ভাবনার প্রতি সম্মান ও সহানুভুতির মনোভাব রাখলে পারস্পরিক যোগাযোগে আমাদের অসুবিধা কম হবে। হতে পারে আপনার স্বামী তার এমন আচরণেই অভ্যস্ত। আপনি রোমান্টিক কেমন আচরণ তার কাছে থেকে আশা করছেন তা নিয়ে সরাসরি কখনো কথা বলেছেন কি? এ ব্যাপারে আপনার চাওয়া ও চাহিদাগুলো তাকে জানাতে পারেন। কেমন আচরণ পেলে আপনাদের বৈবাহিক সম্পর্ক আরো মধুর হতে পারে এ বিষয়ে দুজনে মিলে কথা ব্লুন। আপনার দিক থেকেও রোমান্টিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নিতে পারেন। আপনার স্বামীর পছন্দের কাজগুলো প্রাধান্য দিতে পারেন। তাকে মাঝে মাঝে ছোট খাটো সারপ্রাইজ দিতে পারেন। সম্পর্কে উচ্ছলতা বজায় রাখতে চেষ্টা করুন। মাঝে মাঝে ভালো বাসামূলক কথা একে অপরকে বলার অভ্যাস করতে পারেন। আলিঙ্গন ভালোবাসাকে করে তোলে 'ম্যাজিক্যাল' । প্রতিদিন আপনার সঙ্গীকে অন্তত একবার আলিঙ্গন করে রাখুন।  এতে দুজনের মধ্যে বিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে এবং ভালোবাসা হয়ে উঠবে 'ম্যাজিক্যাল'। আপনার শাশুড়ির আচরণ নিয়েও তার সাথে সরাসরি কথা বলতে পারেন। তার কথাগুলো আপনাকে কতটা মানসিক আঘাত দিচ্ছে এ ব্যাপারে তাকে জানাতে পারেন। তবে এ সময় তার প্রতি যথাযথ সম্মান বজায় রাখার চেষ্টা করুন।শুভ কামনা থাকলো আপনার জন্য। পরবর্তীতে আর কোন প্রশ্ন থাকলে মায়া আপাতে জানান। পাশে আছি সবসময় মায়া আপা।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও