প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমি বুঝতে পারছি আপনি কতটা জটিল পরিস্থিতিতে রয়েছেন এবং কতখানি মানসিক কষ্ট পাচ্ছেন। আপনার স্বামীর এমন আচরণ সত্যিই ভীষণ অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক। নিজ থেকে সচেতন হয়ে এখানে সাহায্য চাইবার জন্য আন্তরিক সাধুবাদ জানাচ্ছি আপনাকে, আপা। এত প্রতিকূলতার মাঝেও আপনি এতটা দৃঢ় মনোবল ধরে রেখেছেন যা সত্যিই খুব প্রশংসনীয়। আপনি নিজের এবং আপনার বাচ্চার ভালো থাকা নিয়ে এত সচেতন যা আপনার অনেক বড় একটা স্ট্রেংথ বা ইতিবাচক দিক। যেকোনো সম্পর্কে পারস্পরিক বোঝাপড়া, শ্রদ্ধাবোধ, ভালোবাসা, সম্মান, কম্প্রোমাইজ, যত্ন, সততা ইত্যাদির প্রয়োজন। এবং অবশ্যই তা দুপাক্ষিক ই হতে হয়, কারণ একপাক্ষিক চেষ্টা করে একটা সম্পর্ক বেশিদিন সুস্থ রাখা যায়না। আপনি নিশ্চয়ই তা আপনার জীবন থেকে আরও ভালোভাবে সেটা বুঝতে পেরেছেন, আপা। সবার আগে প্রয়োজন নিজের ভালো থাকাটা। অন্যের চিন্তাভাবনা বা কাজকর্ম কিন্তু আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না কখনোই৷ কিন্তু অন্যের কথায় আমরা কি প্রতিক্রিয়া করবো, আমরা ভালো থাকবো নাকি খারাপ থাকবো সেই ব্যাপারে কিন্তু আমরা নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারি৷ যেই সম্পর্ক থেকে আপনি নিজের কোন মর্যাদা পাচ্ছেন না, সেই সম্পর্কে আপনি কতটা ভালো থাকতে পারবেন তা ভেবে দেখেছেন কি, আপা? আপনি চেষ্টা করুন নিজের যোগ্যতা এবং সম্ভাবনা অনুযায়ী আবারও কোনো একটা কাজ খুজে নিতে৷ নিজের পায়ের নিচের মাটি যখন শক্ত থাকে, তখন আমাদের অন্যের দেওয়া মর্যাদার আর অপেক্ষা করতে হয়না৷ উপযুক্ত লোকের পরামর্শ গ্রহণ করুন। নিজের পরিবারের সাথে পুরো ব্যাপারটা নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করতে পারেন। কাছের বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। কিভাবে নিজের পায়ে দাড়িয়ে নিজের জন্য এবং সেইসাথে আপনার বাচ্চার জন্য একটা সুন্দর জীবন নিশ্চিত করতে পারেন সেই চেষ্টা করে দেখতে পারেন। নেতিবাচক কিছু মনে আশ্রয় না দিয়ে সবসময় ইতিবাচক চিন্তাভাবনা করতে চেষ্টা করুন। আপনার সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও