প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার ছেলের পড়াশোনা করা নিয়ে আপনি মানসিকভাবে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তা আমি বুঝতে পারছি। নিজের সন্তানের প্রতি সচেতন হয়ে এখানে সাহায্য চেয়েছেন তারজন্য আন্তরিক সাধুবাদ জানাচ্ছি আপনাকে। যেকোন শিশুর জন্য সুন্দর একটা জীবন নিশ্চিত করার জন্য এবং তাকে ভালোভাবে মানুষ করে তোলার জন্য প্রয়োজন অনেক ধৈর্য্য, সহানুভূতি এবং আন্তরিকতা। আপনি তাকে একটি সুনির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করে নিয়ে সেই অনুযায়ী পড়তে বলতে পারেন। রুটিনটি এমনভাবে তৈরি করতে বলবেন যাতে ওর পছন্দের বিষয়টি বেশি প্রাধান্য পায়। এতে করে পড়াশোনা করার প্রতি তার বেশি করে আগ্রহ জন্ম নেবে। একই বিষয় একবারে বেশি না পড়ে অল্প অল্প করে পড়ার রুটিন তৈরি করে দিতে পারেন। এতে অনাগ্রহ হবার সম্ভাবনা কমে যাবে। একটানা লম্বা সময় ধরে না পড়ে দিনের বিভিন্ন সময় পড়ার জন্য রুটিন তৈরি করে দিতে পারেন। কয়েকজন বন্ধু মিলে গ্রুপ স্টাডি করার ব্যবস্থা করে দিতে পারেন। কোন বিষয় কতখানি পড়বে তা সকলে মিলে টার্গেট সেট করে নিয়ে পড়তে পারে। এতে প্রতিযোগিতা মূলক মনোভাব তৈরি হওয়াতে পড়াও হয়ে যাবে। একঘেয়েমি যাতে না চলে আসে সেজন্য পড়ার মাঝেমধ্যে বিরতি রাখুন। বিরতির সময় খোলা বারান্দায় কিছুটা সময় কাটাতে পারে বা হাঁটাহাঁটি করতে পারে। পছন্দের গান শুনতে পারে বা গল্পের বই পড়তে পারে, ছবিও আঁকতে পারে। পাশাপাশি নিজের শখ ও ভালোলাগার কাজগুলো করার অভ্যাস তৈরি করতে উৎসাহী করতে চেষ্টা করুন ওর যাতে মন ভালো থাকে। খেলাধুলা করতেও উৎসাহ দিন। ওর রাতে পরিমিত ঘুম ও দৈনিক কিছু শারীরিক ব্যায়ামের অভ্যাস তৈরি করতে সাহায্য করতে পারেন, এগুলো ওর মন ও শরীর উভয় শান্ত ও ভালো রাখতে সহায়তা করে। নিয়মিত ডায়েরি লেখার অভ্যাস তৈরি করতে বলতে পারেন। প্রতিদিন লেখার অভ্যাস থাকলে আপনার সন্তানের মন হালকা হবে এবং ভালো বোধ করবে। আপনার এবং আপনার বাচ্চার সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও