প্রিয় গ্রাহক, আপনার মনের কথাগুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। আপনি জানিয়েছেন আপনি চুপচাপ স্বভাবের মানুষ। গ্রাহক, প্রতিটি মানুষেরই স্বতন্ত্র কিছু বৈশিষ্ট রয়েছে। এটিকে অসুবিধা তখনই বলা হয় যখন আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাপনকে বাধাগ্রস্ত করে। আপনি লিখেছেন কিছু মানুষের সাথে মিশতে আপনি আনকম্ফোর্টেবল ফিল করেন। সে সময়ে আপনার মনে কি ধরণের ভাবনা কাজ করে বিস্তারিত জানাবেন কি? আমাদের অনুভূতির সাথে চিন্তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। যখন আমরা নেতিবাচক চিন্তা করি তা আমাদের মনেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে ( আমরা কষ্ট, ভয়, রাগ, হতাশা ইত্যাদি অনুভব করি) যা আমাদের আচরণকে প্রভাবিত করে। আপনি নিজের নেতিবাচক চিন্তাগুলো সনাক্ত করে তার সত্যতা যাচাই করতে পারেন। কিছু প্রশ্নের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ করে সত্যতা যাচাই করা যায়। যেমনঃ কি প্রমাণ আছে আমি যেভাবে ভাবছি সেটিই সত্যি হবে, বিকল্প কি কি হতে পারে, এভাবে ভাবার কারণে আমার কি কি ক্ষতি হচ্ছে, আমি যা ভাবছি তাই যদি ঘটে সর্বোচ্চ কি ক্ষতি হতে পারে ইত্যাদি। এরপর ইতিবাচকভাবে ভাবতে পারেন বিষয়টি নিয়ে। বাবা বা যে কোন মানুষকে কোন কথা বলার ক্ষেত্রে অস্বস্তি হলে এসারটিভনেস অনুশীলন করতে পারেন। এসারটিভনেস হলো যোগাযোগের এমন দক্ষতা যার মাধ্যমে অন্যের অনুভূতিকে আঘাত না করে বা আক্রমণ না করে নিজের অনুভূতি ও মতামত প্রকাশ করা হয়। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের কথা গুলো বলতে পারেন প্রথমে। আপনি ইমাজেরির মাধ্যমে বাবার সাথে কথপোকথন কল্পনা করে প্রথমে অনুশীলন করে নিতে পারেন। কল্পনা করতে পারেন বাবাকে আপনি কোন কথা বলছেন তখন আপনার কেমন লাগছে, বাবার প্রতিক্রিয়া কি, বাবার প্রতিক্রিয়া দেখে আপনার কেমন লাগছে। এসময় নিঃশ্বাসের ব্যায়াম করতে পারেন ( যখন আমরা দুশ্চিন্তা করি বা ভয় পাই আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের স্বাভাবিক গতি ব্যহত হয়। ফলে শরীর ও মনে অস্থিরতা অনুভব করি। যেভাবে করবেন - বুক ভরে শ্বাস নিন, ৫ সেকেন্ট আটকে রাখার চেষ্টা করুন এরপর ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন।এভাবে কয়েক মিনিট অনুশীলন করুন । ) এরপর আবার কথপোকথন অনুশীলন করুন। এভাবে কয়েকবার করার পর খেয়াল করুন আপনার অস্বস্তি কতটা কমেছে। এরপর অন্যদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করতে পারেন। প্রথমদিকে কিছুটা অস্বস্তি কাজ করলেও ধীরেধীরে কমে যাবে। আশা করি আপনাকে কিছুটা সহযোগীতা করতে পেরেছি। বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে আপনি পরবর্তীতে সহযোগীতা পেতে পারেন। নতুন কোন প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন। মায়া আছে আপনার পাশে।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও