প্রশ্ন সমূহ
আর্টিকেল
মায়া ফার্মেসী

প্রিয় গ্রাহক,

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।


পড়ার সময় আপনার মাথায় বিভিন্ন ধরনের চিন্তা আসায়,আপনি পড়ার প্রতি মনোযোগী হতে পারছেন না,এ নিয়ে আপনার মধ্যে একধরনের অস্থিরতা বোধ কাজ করছে,তা আমি বুঝতে পারছি।পড়ার সময় আপনার কি কি ধরনের চিন্তা আসে তা কি আমাদের সাথে শেয়ার করা যায়? আপনার চিন্তার বিষয়গুলো আপনার পছন্দের ও বিশ্বস্ত কার সাথে শেয়ার করতে পারেন,এতে নিজেকে অনেকটা হালকা বোধ হবে।আপনি চিন্তাগুলো লিখে ও ফেলতে পারেন,এতে চিন্তাগুলো নিয়ে ভাববার সময় পাবেন এবং সমাধানের একটা পথ ও পেয়ে যেতে পারেন।

এছাড়া পড়ায় মনোযোগ বাড়াতে নিম্নলিখিত টিপস গুলো মেনে দেখতে পারেন; পড়ার একটি রুটিন
তৈরি করে নিতে
পারেন কোন
বিষয়ে কতটুকু সময়
দিবেন তা ভেবে
দেখতে পারেন
পড়ার জন্য নির্দিষ্ট
সময় স্থান
নির্ধারণ করে নিতে
পারেন একটানা
বেশী সময় পড়লে
পড়ায় মনোযোগ দিতে
সমস্যা হতে পারে
তাই ২৫-৩০ মিনিট
পড়ার পর - মিনিটের
বিরতি নেয়া যেতে
পারে পানি
হাল্কা নাশ্তা
কাছে নিয়ে বসতে
পারেন যেসব
বিষয় আপনার মনোযোগ
নস্ট করে তা
দূরে রাখতে পারেন


. পড়তে
বসার আগে একটু
চিন্তা করুন- কী
পড়বেন, কেন
পড়বেন, কতক্ষণ
ধরে পড়বেন। প্রত্যেকবার
পড়ার আগে কিছু
টার্গেট ঠিক করে
নিন। যেমন, এত
পৃষ্ঠা বা এতগুলো
অনুশীলনী।



. বিষয়ের
বৈচিত্র্য রাখুন। নিত্য
নতুন পড়ার কৌশল
চিন্তা করুন।



. এনার্জি
লেভেলের সঙ্গে আগ্রহের
একটা সম্পর্ক আছে।
এনার্জি যত বেশি
মনোযোগ নিবদ্ধ করার
ক্ষমতা তত বেশি
হয়। আর অধিকাংশ
ছাত্রছাত্রীর দিনের প্রথমভাগেই
এনার্জি বেশি থাকে।
তাদের ক্ষেত্রে দেখা
গেছে, যে
পড়াটা দিনে
ঘন্টায় পড়তে পারছে
সেই একই পড়া
পড়তে রাতে দেড়
ঘণ্টা লাগছে। তাই
কঠিন, বিরক্তিকর
একঘেয়ে বিষয়গুলো
সকালের দিকেই পড়ুন।
পছন্দের বিষয়গুলো পড়ুন
পরের দিকে। তবে
যদি উল্টোটা হয়,
অর্থাৎ রাতে পড়তে
আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন,
তাহলে সেভাবেই সাজান
আপনার রুটিন।



. একটানা
না পড়ে বিরতি
দিয়ে পড়বেন। কারণ
গবেষণায় দেখা গেছে,
একটানা ২৫ মিনিটের
বেশি একজন মানুষ
মনোযোগ দিতে পারে
না। তাই একটানা
মনোযোগের জন্যে মনের
ওপর বল প্রয়োগ
না করে প্রতি
৫০ মিনিট পড়ার
পর মিনিটের
একটা ছোট্ট বিরতি
নিতে পারেন। কিন্তু
বিরতির সময়
টিভি, মোবাইল
বা কম্পিউটার নিয়ে
ব্যস্ত হবেন না
যা হয়তো
মিনিটের নামে দুঘণ্টা
নিয়ে নিতে পারে।



. মনোযোগের
জন্যে আপনি কোন
ভঙ্গিতে বসছেন সেটি
গুরুত্বপূর্ণ। সোজা হয়ে
আরামে বসুন। অপ্রয়োজনীয়
নড়াচড়া বন্ধ করুন।
চেয়ারে এমনভাবে বসুন
যাতে পা মেঝেতে
লেগে থাকে।

টেবিলের দিকে একটু
ঝুঁকে বসুন। আপনার
চোখ থেকে টেবিলের
দূরত্ব অন্তত দু
ফুট হওয়া উচিৎ।



. পড়তে
পড়তে মন যখন
উদ্দেশ্যহীনতায় ভেসে বেড়াচ্ছে
জোর করে তখন
বইয়ের দিকে তাকিয়ে
না থেকে দাঁড়িয়ে
পড়ুন। তবে রুম
ছেড়ে যাবেন না।
কয়েকবার অভ্যাস
করলেই দেখবেন আর
অন্যমনস্ক হচ্ছেন না।



. প্রতিদিন
নির্দিষ্ট সময়ে পড়তে
বসুন এবং পড়তে
বসার আগে কোনো
অসমাপ্ত কাজে হাত
দেবেন না বা
সেটার কথা মনে
এলেও পাত্তা দেবেন
না। চিন্তাগুলোকে বরং একটা
কাগজে লিখে ফেলুন।



. টার্গেট
মতো পড়া ঠিকঠাক
করতে পারলে নিজেকে
পুরস্কৃত করুন, তা
যত ছোটই হোক

আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।

আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,

রয়েছে পাশে সবসময়,

মায়া আপা ।

সমস্যা নিয়ে বসে থাকবেন না !

পরিচয় গোপন রেখে ফ্রি বিশেষজ্ঞ পরামর্শ পেতে

প্রশ্ন করুন এখনই

প্রশ্ন করুন আপনিও