আমি একজন ছেলে মানুস..আমার বয়স ১৮..আমার মুখের উজ্জলতা নাই..কিন্তু আমার শরীরের অন্যান্য অংগ অনেক ফরসা..কিন্তু মুখটা কেমন জানি..হাল্কা হাল্কা খসখসে..আর চোখের নিচে কাল..আমার উজ্জ্বলতা আনার জন্য কোনো প্রডাক্ট থাকলে বলেন..
প্রশ্ন সমূহ
আর্টিকেল
মায়া ফার্মেসী

মায়া প্রশ্নের বিস্তারিত


প্রিয় গ্রাহক,

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

গ্রাহক, আপনার সমস্যা আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।এধরণের কোন ক্রিম নেই যেটা ব্যবহার করে আপনার ত্বক ফর্সা হবে. বাজারে যে ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম পাওয়া যায় সেগুলো কিছুদিনের জন্য আপনার ত্বকের মেলানিন কমিয়ে দেয়, এতে কিছুদিনের জন্য আপনার ত্বক ফর্সা দেখা যায়. এরপর আবার আগের মত হয়ে যায়, তাই এই ক্রিমগুলো ব্যবহার চালিয়ে যেতে হয়. এত লম্বা সময় ধরে এই ক্রিমগুলো ব্যবহার করার ফলে ত্বকের মেলানিন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান কমে যায়, এতে ত্বক ফর্সা হয় ঠিকই কিন্তু রোদের অতিবেগুনি রশ্মি ও অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদানের বিরুদ্ধে ত্বককে আর রক্ষা করতে পারে না, কারণ ত্বকের প্রয়োজনীয় মেলানিন তখন আর ত্বকে থাকে না. এতে ত্বকের ক্যান্সারসহ নানান ধরণের সমস্যা দেখা দেয়. তাই, গ্রাহক ফর্সা ত্বকের চেয়ে একটি সুস্থ ত্বক বেশি প্রয়োজন. ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বককে সুস্থ রেখে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ানো যায়।এর জন্য আপনাকে নিয়মিত ত্বক এবং মাথার ত্বকের যত্ন নিতে হবে। প্রতিদিন ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমান। ৮ গ্লাস করে পানি পান করুন। মাথার ত্বক এবং ত্বক দুইই পরিষ্কার রাখুন। সপ্তাহে একদিন আপনার বিছানা চাদর, বালিশের কভার, চিরুনি, তোয়ালে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে দিবেন। আলাদা তোয়ালে ব্যবহার করবেন। দিনে কমপক্ষে দুবার শুধু পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলবেন। দিনে অন্তত একবার ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম ব্যবহার করবেন। আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী ফেইসওয়াশ ব্যবহার করুন। কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে তা দূর করার জন্য কাজ করুন। পেট পরিষ্কার না থাকলেও ত্বক অনুজ্জ্বল দেখায়। শারীরিক পরিশ্রম করুন,এতে ত্বকে অক্সিজেন এর সরবরাহ বাড়বে। এর ফলে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে দুধ ১/২ চা চামচ লেবুর রস ১/২ চা চামচ আটা ১ চা চামচ হলুদ ১চিমটি নিয়ে মিশ্রণটি ১৫ মিনিট মুখে রাখবেন। এরপর মুখ ধুয়ে ফেলবেন। তবে, মুখে লাগানোর আগে দেখে নিবেন হলুদ এবং লেবুর রসে আপনার ত্বকে সংবেদনশীলতা বা অ্যালার্জি আছে কিনা।

গ্রাহক, কম ঘুমানো, দুশ্চিন্তা, হরমোনের পরিবর্তন অথবা জেনেটিক্যালি যে কোনো কারণেই হতে পারে ডার্ক সার্কেল বা চোখের নিচের কালো দাগ। একদিনেই এই দাগ দূর হয় না এবং প্রতিদিন যত্ন না নিলে আবারও ফিরে আসবে এই কালো দাগ।
চোখের নিচের কালো দাগ দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায় : :
• চোখের নিচের কালো দাগ দূর করেতে টমেটো খুবই উপকারী। এক চা চামচ টমেটোর রসের সঙ্গে এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চোখের নিচে লাগান। ১০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দিনে দুইবার অন্তত এই প্যাক লাগাতে হবে।
• আলু ভালো কর পেস্ট করে এর রস একটি কটন বলে নিয়ে চোখের ওপর ১৫ মিনিটের জন্য ঢেকে রাখুন। খেয়াল রাখবেন পুরো চোখ যেন ঢেকে থাকে। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলুন।
• টি ব্যাগ ব্যবহারের পর ফ্রিজে রেখে দিন। ঠান্ডা হলে বের করে চোখ বন্ধ করে ১০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। প্রতিদিন ব্যবহারে আপনার চোখের নিচের কালো দাগ দূর হবে।
• ঠান্ডা দুধে একটি কটন বল ভিজিয়ে চোখে লাগান। ১০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে চোখের ফোলা ভাব কমে যায় এবং কালো দাগ দূর হয়।
• কমলার রসের সাথে দুই-এক ফোঁটা গ্লিসারিন মিশিয়ে চোখের নিচে লাগান। এটা কালো দাগ দূর করার পাশাপাশি চোখকে আরো উজ্জ্বল করে তোলে।
• শসার রস এবং আলুর রস একসাথে মিশিয়ে চোখে লাগান। ১০ মিনিট পর হালকা ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন।
• রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে চোখের চারপাশে বাদামের তেল দিয়ে ম্যাসাজ করুন। এতে চোখের কালো দাগ দূর হওয়ার পাশাপাশি চোখের চামড়া কুচকানো ভাবও দূর হবে।

আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।

আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,

রয়েছে পাশে সবসময়,

মায়া আপা ।



প্রশ্ন করুন আপনিও