প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গ্রাহক, আপনি ছেলে না মেয়ে ? আপনার বয়স কত? গ্রাহক, পায়ের ত্বকের শুস্কতা ও গোডালী ফাটার জন্য প্রধানত যে কারনগুলো দায়ী :- *শুষ্ক জলবায়ুযুক্ত স্থানে বসবাস *স্থূলতা *সমানে খালি পায়ে হাঁটা বা চটি অথবা গোড়ালি খোলা জুতো পরা *নিষ্ক্রিয় ঘর্মগ্রন্থি নিয়মিত পা ময়েশ্চারাইজ় করলে পায়ের শুস্কতা ও গোড়ালি ফাটা আটকান যায়৷ একবার ফাটা দেখা দিলে, - রোজ পিউমিস স্টোন দিয়ে ঘষে পুরু ও ফাটা চামড়ার স্তর আস্তে আস্তে কম করা যেতে পারে৷ - খালি পায়ে বা গোড়ালি খোলা জুতো, চটি বা পাতলা সোলওয়ালা জুতো পরে হাঁটা এড়িয়ে চলুন৷ ভাল শক অ্যাবজ়র্পশন ব্যবস্থা আছে এমন জুতো অবস্থাটিকে সারিয়ে তুলতে সাহায্য করবে৷ - দিনে অন্তত দুবার পা ময়েশ্চারাইজ় করলে ও ঘুমোনর সময় ময়েশ্চারাইজ়ারের উপর মোজা পরে শুলেও উপকার হবে৷ - পা ফাটা (প্রতিরোধের জন্য প্রতিদিন সকালে গোসলের আগে পায়ে ভাল করে ১ চা চামচ তিল তেল বা নারকেল তেলের সঙ্গে ৩-৪ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অয়েল বা আমন্ড অয়েল, ১ চা চামচ গিস্নসারিন, ১ চামচ গোলাপ পানি, সিকি চামচ ভিনিগার মিশিয়ে নিয়ে পুরো হাতে, পায়ে, পায়ের পাতায় লাগিয়ে রাখুন মিনিট দশেক। সামান্য গরম ঠা-া পানিতে হাত-পা ধুয়ে নিয়ে আলতো করে ময়েশ্চারাইজার ও গ্লিসারিন মালিশ করে নিন। - রাতে শুতে যাওয়ার সময় হাল্কা গরম পানিতে পা ধোয়ার পর ১০০ গ্রাম নারকেল তেলের সঙ্গে ৫ গ্রাম কর্পুর, ২০ গ্রাম প্যারাফিন ওয়্যাক্স মিশিয়ে গরম করে একটি পাত্রে রেখে দিন। এই মিশ্রণটি পায়ের ফাটা জায়গায় লাগিয়ে তার উপর কোন সুতির মোজা পরে নিন। - বাড়িতে সব সময় স্লি পার বা সুতির মোজা পরা অভ্যেস করুন। - ১ চা চামচ পেট্রোলিয়াম জেলির সঙ্গে ১ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি, ১ চা চামচ মধু, ২ চা চামচ গিস্নসারিন, ১ চা চামচ মুগডাল বাটা, ২ চা চামচ গোলাপ পানি দিয়ে পেস্ট বানিয়ে পুরো পায়ে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে হাল্কা গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত এই প্যাক লাগালে পা ফাটা থেকে মুক্তি পাবেন। - মৌসুমি ফলমূল ও সবুজ শাকসবজি প্রতিদিন নিয়মিত খান। - প্রতিদিন প্রচুর  পরিমাণে পানি খাওয়া দরকার। - যাদের পা অতিরিক্ত ঘামে তারা ট্যালকম পাউডার ১ কাপ, বরিক এ্যাসিড ১ টেবিল চামচ, কর্নস্টার্চ (ভুট্টার গুঁড়ো) এক চা চামচ মিশিয়ে পায়ের পাতায় লাগিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ বাদে ১ চা চামচ তিল তেলের সঙ্গে ২-৩ ফোঁটা ভিনিগার মিশিয়ে ম্যাসাজ করুন। নিয়মিত করলে উপকার পাবেন। - ব্যাগে হ্যান্ড এ্যান্ড বডি লোশন রাখুন। অফিসে নিয়মিত দু’তিন বার এটি লাগান। - সপ্তাহে একদিন ১ বাটি দুধে কয়েকটা গোলাপের পাপড়ি আর দু’তিন ফোঁটা চন্দনের তেল ফেলে দু’হাত ডুবিয়ে রাখুন মিনিট দশেক। এরপর হাত মুছে নিয়ে ৩ চা চামচ ল্যাভেন্ডার অয়েলের সঙ্গে ১ চা চামচ তিলের তেল মিশিয়ে আলতো করে ম্যাসাজ করে নিন। - ১ চা চামচ নারকেল তেল, ১ চা চামচ গিস্নসারিন, ১ চিমটে নুন, ১ চা চামচ মধু, ১ টেবিল চামচ পাকা কলা বা পাকা পেপের ক্বাথ, ১ চা চাম মুগডাল গুঁড়ো, ১ চা চামচ মুলতানি মাটি পরিমাণ মতো গোলাপ জলের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে পুরো হাতে-পায়ে লাগিয়ে রাখুন। আধ ঘণ্টা বাদে হাল্কা গরম জলে ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগান। নিয়মিত এই প্যাকটি ব্যবহার করলে আপনার হাত পা হয়ে উঠবে কোমল, মসৃণ। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও