প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।শিশুকে নতুন খাবার দেয়ার ক্ষেত্রে লক্ষ্যনীয় বিষয় ছোট শিশু একবারে বেশি করে খেতে পারে না। তাই তাদের বারে বারে অল্প করে খাবার দিতে হবে। কিন্তু লক্ষ্য রাখতে হবে যেন খাবারে অতিরিক্ত পানি না থাকে। বিভিন্ন ধরনের খাবার হলে শিশু ভালভাবে গ্রহণ করবে এবং একঘেয়ে লাগবে না।শিশুকে নতুন খাবার দিতে হলে কতগুলো বিশেষ দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে, যেমনঃশিশুর শারীরিক অবস্থা, বয়স, ওজন ইত্যাদি।শিশুটির বয়সানুসারে শক্তি, আমিষ ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজন নির্ধারন করতে হবে।খাবারগুলো এমনভাবে নির্বাচন করতে হবে যেন তা সহজপাচ্য, পুষ্টিমান ও সহজলভ্য হয়।শিশুকে সাধারণতঃ বাবা মায়ের সংগে বসিয়ে খাওয়াতে হবে, ফলে সে খাবারে উৎসাহ পাবে। শিশুকে কোন খাবারের জন্য জবরদস্তি করা যাবে না। শিশু ক্ষুধার্ত হলে আপনা আপনি খাবে।শিশু নুতন খাবার কতটা হজম করতে পারলো তা বোঝা যাবে তার মল দেখে ও ওজন বৃদ্ধির রেকর্ড থেকে (শিশুর ক্রমবৃদ্ধির চার্ট বা কার্ড এর মাধ্যমে)।শিশুর খাবার বিশুদ্ধও নিরাপদ হতে হবে।একই ধরনের খাবার প্রতিদিন না দেয়া ভাল। শিশুর খাবার পরিমাণে অল্প তবে প্রয়োজনীয় ক্যালরী সমৃদ্ধ হতে হবে।পূর্ণ ৬ মাস বয়সে শিশুর বাড়তি বা পরিপূরক খাবার পূর্ণ ৬ মাস বয়স থেকে মায়ের দুধের সংগে সংগে যে সমস্ত খাবার পরিপূরক হিসাবে শিশুর জন্য প্রযোজ্য সেসব খাবারের কিছু কিছু উল্লেখ করা হলোঃ১.আলু সিদ্ধ ও ডাল চটকিয়ে২. ডালে বা দুধে ভেজানো রুটি৩. ফলের রস ও চটকানো ফল (দেশীয় ফল যেমন কলা, পেঁপে, কাঁঠাল, পেয়ারা, আম, আনারস ইত্যাদি)৪. দুধের পায়েস বা দুধ দিয়ে রান্নাকরা সুজি৫. নরম সিদ্ধ ডিম৬ ভাত, মুড়ি, চিড়া, দুধ দিয়ে নরম করে মেখে৭. শাক-সব্জি, চাল, ডাল ও তেল দিয়ে নরম খিচুড়ি রান্না করে৮. টমেটো, মটরশুটি, ফুলকপি, সীম ও অন্যান্য শাকসব্জি ভাল করে সিদ্ধ করে চটকিয়ে৯. পরিমাণে স্বাভাবিক খাবার। কিন্তু তাতে ঝালও মসলা কম হতে হবে১০. এ সমস্ত খাবারের সাথে রান্না করা মাছও চটকিয়ে দেয়া যায়১১. খাবারের সাথে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করতে হবেআশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও