আমার মেয়ের বয়স ১ বছর ১১ দিন, সিজিরিয়ান বেবি। মেয়ের বেশ কিছুদিন যাবত অর ঠান্ডা লাগছে। আমি কালকে একজন শিশু স্পেশালিষ্ট কে দেখাই, সে কিছু মেডিসিন দেন, M-kast 4 = ০+০+১ - তিন মাস Orcef = ৩/৪+০+৩/৪ - ৭ দিন Brodil= ৩/৪+০+৩/৪ - ৭ দিন (ডাক্তার দেখানোর পর হটাত ওর জর আসে ১০০ এর উপরে তাই আমি সাথে নাপা সিরাপ খাওয়েছি ১/২ চামচ) রাতে মেডিসিন খাওনের ২ ঘন্টা পর মেয়ে অনেক বমি করে, তার কিছুখন পর আবার বমি করে। তারকিছুখন পর অল্প একটু বমি করে। মোট তিনবার বমি হয় ৩০ মিনিটের মধ্যে। এখন পযন্ত আর বমি হয় নাই। আমি আর ওশুধ খাওয়াই নাই। আমার কি ওশুধ গুলা খাওনো উচিত? (বি:দ ডাক্তার সাহবের ফোন নাম্বার না থাকায় আপনাদের মতামত আশা করছি) আপনাদের গুরতপুরন মতামত আশা করছি।

প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গ্রাহক, ডাক্তার সাহেব আপনার মেয়েকে পরীকক্ষা করেই ওষুধগুলো দিয়েছেন। তাই আপনি নিয়মিত ওষুধ গুলো খাওয়ান,আপনার বেবি সুস্থ হয়ে যাবে। গ্রাহক, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এসব সর্দি-কাশি  ভাইরাসের আক্রমণের কারণে বা অ্যালার্জির কারণে হয় এবং এক সপ্তাহের মাথায় সেরে যায়। বর্তমানে ছোট্ট শিশুদের এ ধরনের সমস্যায় কোনো ওষুধ বা চিকিত্সার চেয়ে সাধারণ যত্নআত্তির দিকেই জোর দেওয়া হয়। এরজন্য -আধা কাপ কুসুম গরম পানিতে চা-চামচের ৪ ভাগের ১ ভাগ লবণ গুলে স্যালাইন ড্রপ তৈরি করুন। বাজারে স্যালাইন নাকের ড্রপ কিনতেও পাওয়া যায়। -একটা তোয়ালে বা কাপড় রোল করে শিশুর মাথার নিচে দিয়ে তাকে চিত করে শোয়ান। এবার ৩০ থেকে ৬০ মিনিট পর পর দুই বা তিন ফোঁটা ড্রপ দিয়ে নাক পরিষ্কার করে দিন। -ড্রপ দেওয়ার পর কাত করে শুইয়ে দিয়ে তরল সর্দি বেয়ে পড়তে দিন, টিস্যু দিয়ে মুছে দিন। কটন বাড নাকের ভেতর ঢোকাবেন না। -দুই বছর বয়সের নিচে নাকের ডিকনজেসটেন্ট ড্রপ বা স্প্রে ব্যবহার করা নিষেধ। ডিকনজেসটেন্ট জাতীয় ওষুধ নাকের শিরাগুলোকে সংকুচিত করবে, এটি নাক দিয়ে পানি পড়া রোধ করবে না। শিশুদের ক্ষেত্রে তিন দিনের বেশি ব্যবহার করা যাবে না। —শিশুকে সর্দি- কাশির জন্য কুসুম গরম পানিতে মধু, আদার রস বা তুলসী পাতার রস, লেবু দিয়ে গরম পানি বা চা ইত্যাদি দিতে পারেন। এগুলো কফ তরল করতে সাহায্য করবে। —সর্দি-কাশি বা অরুচির জন্য শিশু একবারে বেশি খেতে পারে না, তাই বারবার খাবার দিন। পানিশূন্যতা রোধে তরল খাবার বেশি দিন। ভিটামিন সি-যুক্ত ফল, যেমন: লেবু, কমলা, মালটা, আমলকী ইত্যাদি উপকারী। কখন সতর্ক হতে হবে :- সাধারণ যত্ন ও পুষ্টি বজায় রাখলে এই সমস্যা সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যে সেরে যাওয়ার কথা। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে এটি জটিলও হয়ে যেতে পারে। লক্ষ রাখুন কয়েকটি বিষয়। যদি শিশু ঘন ঘন শ্বাস নিতে থাকে, নিঃশ্বাসের সঙ্গে পাঁজর ভেতর দিকে দেবে যায়, শিশু খাওয়া বন্ধ করে দেয় ও নিস্তেজ হয়ে পড়ে, খিঁচুনি হয় বা জ্বর অনেক বেড়ে যায় বা দীর্ঘস্থায়ী হয় তবে অবশ্যই নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও