প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।গ্রাহক, আপনি ছেলে না মেয়ে ? আপনার বয়স কত ? কতদিন ধরে আপনার এই সমস্যা হচ্ছে ?আপনার পরিবারে কি অকালে চুল পেঁকে যাওয়ার প্রবনতা আছে ? খুশকি বা খুসকি মূলতঃ মাথার লোমকূপ সমূহতে ময়লা জমে ও ছত্রাকের আবির্ভাবের কারণে হয়ে থাকে এবং খুশকি সমস্যার প্রধান শত্রু হলো ডিরমট্রিস সেবেরিক। মূলতঃ খুশকি সমস্যার প্রাদুর্ভাব ঘটে মাথার ত্বকের উপরের অংশে।  মূলত আমরা খুশকি বলতে মাথার খুশকিকেই বুঝিয়ে থাকি তবে শুধুমাত্র খুশকির মাত্রা বেশী হলেই শরীরে অন্যান্য অঙ্গে এটার পাদুর্ভাব দেখা যায়। খুশকি অন্যান্য প্রদাহজনিত রোগ এবং এলার্জি ঘটাতে পারে। মাথায় বিভিন্ন কারণে খুশকি হয়ে থাকে। খুশকি কোনো রোগ বা রোগের লক্ষণ নয়। নিজের চিরুনি, ব্রাশ, তোয়ালে, বালিশের কভার যথাসাধ্য পরিষ্কার এবং আলাদা রাখলে তাতেই খুশকি অনেক কমে যাবে। আর বাইরেও রয়েছে কিছু করণীয়।খুশকি হলে যা করনীয় :-- সপ্তাহে ২-৩ দিন  ভালমানের শ্যাম্পু দিয়ে চুল শ্যাম্পু করবেন - খুশকি দূর করতে, প্রতিদিন গোসল করার ১ ঘণ্টা আগে মাথায় ২ টেবিল চামচ লেবুর রস লাগাবেন। - সপ্তাহে একদিন আপনার চিরুনি ,ব্রাশ ,টাওয়েল ,বালিশের কাভার ধুয়ে পরিস্কার করবেন - অন্যের চিরুনি -ব্রাশ ব্যবহার করবেন না - টকদই ও মেহেদি বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে পুরো মাথার চুলে লাগিয়ে রাখতে হবে ৩৫-৪০ মিনিট। পানি দিয়ে ভালোমতো ধুয়ে শ্যাম্পু করে ফেলতে হবে। দু-তিনবার ব্যবহারে খুশকি চলে যাবে এবং চুল হয়ে উঠবে অনেক সুন্দর। দুই থেকে তিন দিন বা সপ্তাহে একদিন ব্যবহার করলেই হবে।- ভিনেগার ও পানি মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগালেও খুশকি কমে যেতে পারে।- অতিরিক্ত খুশকি তাড়াতে মাথায় তেল দেয়া বন্ধ রাখতে হবে। খুশকিরোধী শ্যাম্পু ব্যবহার করে চুলের গোড়া পরিষ্কার রাখতে হবে। একদিন পরপর শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হয়। দুই সপ্তাহের মধ্যে খুশকি কমে যেতে পারে।- মেথিবাটা, পেঁয়াজ, নিমপাতা, লেবুর রস, টকদই একসঙ্গে মিশিয়ে চুলের গোড়াায় লাগিয়ে রাখুন। ৩০-৪০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করুন। আপনার ব্যবহৃত চিরুনি ডেটল পানিতে ধুয়ে নিন।- কাঁচা পেঁয়াজের রস খুশকি দূর করে।- তিলের তেল, মেথি গুঁড়া করে মিশিয়ে ১৫ দিন রেখে দিতে হয়। তারপর ওই তেল দুই মাস ব্যবহার করতে হবে। তাতে খুশকির হাত থেকে রেহাই পাওয়া যাবে। পাশাপাশি চুল পড়াও অনেক কমে যাবে।- পুরনো তেঁতুল গুলিয়ে মাথায় কিছুক্ষণ লাগিয়ে, পর ধুয়ে ফেললে খুশকি দূর হবেএরপর ও সমস্যা না কমলে একজন ডার্মাটোলজিস্টের সাথে যোগাযোগ করবেন ।খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, খাবারে নানা কেমিকেলের উপস্থিতি, পর্যপ্ত ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার না খাওয়া, দুঃশ্চিন্তা, হরমোনের ভারসাম্যহীনতাসহ নানা কারণে অল্প বয়সেই পাক ধরতে পারে চুলে।
আর তরুণ বয়সে চুল পাকা বেশ বিব্রতকর ব্যাপারই। যদিও সাময়িক সমাধান হিসেবে অনেকে চুলে কলপ ব্যবহার করে থাকেন। তবে এতে চুল একেবারে কালো হয় না। তার পাশাপাশি কলপের উপাদান নিম্নমানের হলে তা মাথার চামড়ার ক্ষতি করতে পারে। অ্যালার্জি সৃষ্টি করতে পারে। তাই,চুল কালো করতে জবা ফুল, আমলকি তেলে ফুটিয়ে সেটা ব্যবহার করুন  চুল কালো হবে।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও