প্রশ্ন সমূহ
আর্টিকেল
মায়া ফার্মেসী

প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার হাসবেন্ড এর বয়স কত?পায়খানা এর রঙ কি? পরিমান কেমন? বারবার মল ত্যাগ করছেন, বারবার শরীর থেকে পানীয় বেরিয়ে যাচ্ছে। তাই ফ্লুইড দিতে হবে, এটা হচ্ছে এক নম্বর। আর দুই নম্বর হলো, পায়খানাকে কালচার সেনসিটিভিটি করে যেভাবে রিপোর্ট আসে, ওইভাবে তার অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করতে হবে। অথবা যেখানে কালচার সেনসিটিভিটি করার সামর্থ নেই বা রিপোর্ট পেতে রোগীর দুই তিনদিন সময় লেগে যেতে পারে, এতে করে রোগী মারাত্মক পর্যায়ে চলে যেতে পারে, তখন অনুসন্ধান ছাড়া যেই চিকিৎসা আছে, সেটা তাকে দিতে হবে। সঠিক ব্যবহার, সঠিক ডোজ, সঠিক সময় মেনে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে। এই তিনটি মেনে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে। অন্যথায় অ্যান্টিবায়োটিকের বিরূপ প্রতিক্রিয়া, রেজিসটেন্স সৃষ্টি হবে। যেখানে যে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন সেটা দিতে হবে। যেই পরিমাণে দরকার, সেই পরিমাণে দিতে হবে। যেই স্থিতিকাল ধরে দরকার, সেটি দিতে হবে। আমাশয় নিরাময়ে ভেষজ কুড়চি : ১০-২০ গ্রাম ছাল ৩-৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ১ কাপ থাকতে নামিয়ে সেব্য। থানকুনি : দৈনিক ২-৩ গ্রাম থানকুনি চিনিসহ ২-৩ বার সেব্য। বেলশুঁঠ বা কচিবেল : ৬ ঘন্টা পরপর ২-৫ গ্রাম কাঁচা বেল শ্বাস ঠান্ডা পানিসহ সেব্য। কাঁচাকলা : পানিমাণমত কাঁচাকলা তরকারী বা ভর্তা বানিয়ে খেতে হয়। আমিষ জাতীয় খাবার একটু কম খাবেন। তাই মল পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে gastroenterologyবিভাগের ডাক্তার এর শরণাপন্ন হবেন । এছারা উপরোক্ত পদ্ধতি মেনে চলে উপক্রিত হবেন । তবে নিজের যত্ন নিবেন । পরিষ্কার পরিছন্ন থাকবেন । যদি অধিক রক্ত ক্ষরণের প্রবণতা দেখা যায় সেক্ষেত্রে ঘরোয়া পদ্ধতির সাথে antibiotic এর প্রয়োজন আছে । আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

সমস্যা নিয়ে বসে থাকবেন না !

পরিচয় গোপন রেখে ফ্রি বিশেষজ্ঞ পরামর্শ পেতে

প্রশ্ন করুন এখনই


প্রশ্ন করুন আপনিও