প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।রাগ খুবই স্বাভাবিক একটি আবেগ এবং এটি স্বাস্থ্যকরও, তবে যতক্ষণ এর ওপর তোমার নিয়ন্ত্রণ আছে তক্ষণই এটা ভাল। যখনি দেখবে রাগ তোমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে, তখন তোমার নিজেকে এবং আশেপাশের মানুষদের নিরাপদে রাখার জন্য তোমাকে একটা কিছু করতে হবে। তোমার কথা শুনে মনে হচ্ছে তুমি তোমার রাগের ক্ষতিকর বিষয় সম্পর্কে বেশ সচেতন। তোমার এই সচেতনাতাই তোমার রাগ নিয়ন্ত্রণে তোমাকে অনেক সাহায্য করবে।প্রথমে তুমি খুঁজে বের কর ঠিক কোন কোন পরিস্থিতিতে এবং কি কারণে তোমার রাগ বেশি হয় এবং রাগের সময় তোমার মাথায় কোন কোন চিন্তা কাজ করে। তুমি যদি তোমার রাগের কারণগুলো প্রকাশ করতে পারো তাহলে তোমার ভিতরে জমে থাকা রাগ অনেকটা বের হয়ে আসবে। যখনি তোমার মনে হবে রাগ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে এবং শরীরের ভেতরে বিক্রিয়াগুলো শুরু হয়ে গেছে, তখন যা যা করতে পারো –ধীরে এবং লম্বা করে শ্বাস নাও এবং তার চেয়ে বেশি সময় নিয়ে শ্বাস ছাড়ো। তোমার শ্বাস-প্রশ্বাস শিথিল করতে এটা সাহায্য করবে।এক থেকে দশ পর্যন্ত গোনো। এটা তোমাকে শান্ত হবার সময় দেবে এবং সেই সময়টুকুতে তুমি পরিষ্কারভাবে চিন্তাও করতে পারবে,মনে মনে বার বার বলো, ‘ আমি নিয়ন্ত্রণে আছি’।শরীরের পেশীগুলোকে শক্ত করার চেষ্টা করো এবং নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করো। তাতে কি পরিবর্তন হচ্ছে সেটা অনুভব করার চেষ্টা করো।চোখ বন্ধ করে পছন্দের কোনো ব্যক্তি, স্থান বা এমন কিছুর কথা ভাবো যা তোমাকে আনন্দ দেয়। এটা তোমাকে শান্ত হতে সাহায্য করবে।যে কারণে রাগ হচ্ছে, ওই পরিস্থিতি থেকেই বের হয়ে আসো। সেখান থেকে নিজেকে সরিয়ে নাও। তাতেও হয়তো তোমার রাগ কিছুটা প্রশমিত হবে।শারীরিক যে টেনশনটা হচ্ছে সেটাকে ছেড়ে দাও। যদি তোমার মনে হয় যে কোনো কিছুতে আঘাত করলে তোমার ভালো লাগবে, তাহলে বিছানা বা তোষকে আঘাত করো। যদি তোমার প্রচণ্ড চিৎকার করতে ইচ্ছা হয়, তাহলে বালিশে মুখ গুঁজে চিৎকার করতে পারো। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও