প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গ্রাহক বিয়ে একটি পারিবারিক বন্ধব। এই বন্ধনের মাধ্যমে দুই হাত এক করে নেয়া হয় সারা জীবন একসঙ্গে চলার পণ। দুইজন নারী ও পুরুষের মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্ক এবং প্রণয়ের বৈধ আইনি চুক্তি ও তার স্বীকারোক্তি। বিয়ের বন্ধনকে আরও শক্ত করতেই বিয়ের পরে আসে গর্ভে সন্তানধারণের প্রশ্ন। বংশ রক্ষা, স্বামী ও পরিবারের বয়োজষ্ঠ্যদের ইচ্ছা অনুযায়ী বেশিরভাগ নারী গর্ভধারণ করে থাকেন। নিজের অজান্তেই মা হন অনেক নারী। কিন্তু জানেন না মা হওয়ার নির্দিষ্ট বয়স কত হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু গর্ভধারণের একটি নির্দিষ্ট বয়স আছে। নির্দিষ্ট বয়সের আগে মা হলে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েন নারীরা। বয়স বাড়ার সঙ্গে কেন গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমে একটি মেয়ে জন্মের সময়ই কিছুসংখ্যক ডিম্বাণু নিয়ে জন্মায়, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিঃশেষ হতে থাকে। ৩০ বছরের পর থেকেই ডিম্বাণুর সংখ্যা এবং গুণগত মান কমতে থাকে। এ সময় গর্ভধারণ করার চেষ্টার পরও দিনের পর দিন ব্যর্থ হতে পারে। বয়সের কারণে ওজন বৃদ্ধি ও শারীরিক স্থূলতাও গর্ভধারণে বাধার সৃষ্টি করে। বেশি বয়সে সন্তান গর্ভে ধারণ করলে গর্ভকালীন ডায়াবেটিস, গর্ভকালীন উচ্চ-রক্তচাপ, হরমোনগত সমস্যা কিংবা বাচ্চা নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাসহ বিভিন্ন কারণে গর্ভধারণের সম্ভাবনা কম থাকে। সঠিক বয়স কত? বাংলাদেশে নারীদের জন্য মা হওয়ার জন্য উপযুক্ত বয়স হচ্ছে ২০ থেকে ২৪ বছর। তবে ৩০ বছর পর্যন্ত গর্ভধারণ করতে পারে। কিন্তু ৩০ বছরের উপরের বয়সের নারীদের গর্ভধারণের ঝুঁকি বাড়তে থাকে। এছাড়া ৩৫ বছরের পরে মারাত্মক ঝুঁকির শংকা রয়েছে। গর্ভধারণের আগে ডাক্তারের পরামর্শ অনেকে মাসিক বন্ধ হওয়ার পরে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে থাকেন। কিন্তু গর্ভধারণ করবেন বা মা হবেন- এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার আগেই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। এছাড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে নিতে হবে। মানসিক প্রস্তুতি গর্ভধারণের আগে একজন নারীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। এ সময় ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া জরুরি। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও