প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। নাক দিয়ে পানি পড়া রাইনাইটিসের সাথে সম্পর্কযুক্ত। রাইনাইটিস হচ্ছে নাকের মিউকাস মেমব্রেন প্রাচীরের প্রদাহ। অ্যালার্জিজনিত রাইনাইটিস নাকের অ্যালার্জি বা ঋতুনির্ভর অ্যালার্জি নামেও পরিচিত। ধূলাবালি, প্রাণীর চামড়া বা চুল, পাখির পালক বা পুষ্পরেণু ইত্যাদিতে অ্যালার্জি থাকলে, শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়ার সময় অ্যালার্জিজনিত রাইনাইটিসের লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়। কারণ অ্যালার্জেন দেহে প্রবেশ করলে অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশানের সময় মানুষের ইমিউন সিসটেম দিয়ে হিস্টামিন নামক এক প্রকারের রাসায়নিক পদার্থ নিজেকে বিকশিত করে। এই রাসায়নিক পদার্থ অ্যালার্জির লক্ষণ ঘটায়। নাক দিয়ে পানি পড়ার পাশাপাশি আরো কিছু লক্ষণাদি দেখা দেয়। যেমন হাঁচি, ঘ্রাণের সমস্যা, ভেজা চোখ। চোখ, নাক, মুখ, গলা, ত্বক বা যে কোন অংশ চুলকাতে পারে। অ্যালার্জিজনিত রাইনাইটিসের লক্ষণাদি কোল্ডের লক্ষণসমূহের মত। তবে মাঝেমাঝে নাক দিয়ে পানি পড়ার পাশাপাশি নাক বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তখন শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হয়। প্রথমত, যে সকল বস্তুর প্রতি অ্যালার্জি আছে তা পরিহার করা। শীতে প্রকৃ্তি শুষ্ক থাকে তাই ধূলাবালি ও অ্যালার্জেনের পরিমান বেড়ে যায়। ধূলাবালিপূর্ণ জায়গায় মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। পোষা প্রাণী যেমন কুকুর বা বিড়াল থেকে অ্যালার্জি হতে পারে। এদের ত্বক বা পশম চুলকানি সৃষ্টি করে, তাই যাদের প্রাণীর ড্যান্ডারের প্রতি অ্যালার্জি আছে তাদের উচিত সেগুলো নিজের কাছ থেকে দূরে রাখা। অ্যারোসোল স্প্রে, বায়ু দুষণ, ঠাণ্ডা আবহাওয়া, আর্দ্রতা, অস্বস্তিকর উগ্র গন্ধ, ধোয়া, টোবাকোর ধোয়া (সিগারেট), কাঠের ধোয়া ইত্যাদি অ্যালার্জির লক্ষণ বাড়িয়ে দিতে পারে। এসব থেকে দূরে থাকা বাঞ্ছনীয়। ধুলাবালি ও ধুলাবালির ক্ষুদ্র পরজীবি কীট বাসস্থান থেকে কমাতে হবে, উদ্ভিদের পরাগ ও প্রানীর অনাবৃতকরন বর্জন করতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টি হিস্টামিন জাতীয় ওষুধ গ্রহন করতে হতে পারে আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও