আপা আমার বয়স ২৭ বছর আমি গারমেনসে কাজ করি বর্তমানে বাহিরে আছি।আমার সমস্যা হলো গত ৪ দিন আগে আমার হালকা গলা বেথা সুরু হয় জখন গরম পানি খেলাম তার পর আসতে আসতে বেথাটা বারতে থাকে গত ২ দিন জাবত গলা ব্যাথা সরে পচুর পরিমানে ঠানডার মতে লগে নাক থেকে ঝরতে সুরু করে এত বেশি ঝরে ছিল জে আমি  দিশে হারা হয়ে জেতাম পরে নাপা একসটা খেলাম সাথে একটি হিসটার সিন।এখন নাক থেকে ঝরা বনধো হলেও সব মনে হয় মাথার মধ্যে জমে আছে এবং মাথা আনেক ভার লাকতে আছে।এখন প্রাচানড মাথা বেথা করতে আছে নাক পুরোটাই বনধো। আর আমার নাক এমনিতেই ৭--৮ বছর থেকে এক বারে কিলিয়ার হয় না একছাইট কিলিয়ার থাকলে আরএক ছাইট বনধো থাকে।এইভাবে চলতে আছে আমি ড্রব ও দিছিলাম কিনতু জখন ড্রব দেই কি

আপনার প্রশ্ন থেকে মনে হচ্ছে আপনার সাইনোসাইটিস থাকতে পারে। আর গার্মেন্টস এ কাজ করার কারনেও হতে পারে সাইনোসাইটিস কারন কাপড়ের সুতার ধুলা সব সময় বাতাসের মাধ্যমে নাকে প্রবেশ করছে। সাইনোসাইটিস একটি অতি পরিচিত রোগ। শতকরা ২৫ ভাগমানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। আমাদের নাকের চার পাশের অস্থিগুলোর পাশেবাতাসপূর্ণ কুঠরি থাকে। এদের সাইনাস বলে। সাইনাসের কাজ হল মাথাকে হালকা রাখা,মাথাকে আঘাত থেকে রক্ষা করা, কণ্ঠস্বরকেসুরেলা রাখা, দাঁত ও চোয়াল গঠনে সহায়তা করা। যদি কোনোকারণে এ সাইনাস-গুলোয় প্রদাহ সৃষ্টি হয়, তখন তাকেসাইনোসাইটিস বলে। সাইনোসাইটিস ব্যাকটেরিয়া-জনিত ইনফেকশন, অ্যালার্জিঅথবা অটোইমিউন ডিজিজ ইত্যাদি কারণে হয়ে থাকে।আপনি নিয়মিত আপনার ডাক্তারের দেয়া ওষুধ সেবনকরবেন এবং ঘরোয়া কিছু ব্যবস্থা নিতে পারেন। রসুন : সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, রসুনঅ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখে। তাই ভাইরাল ও ব্যাকটেরিয়ারইনফেকশনজনিত সাইনোসাইটিস প্রতিরোধে রসুন অনন্য। প্রতিদিন দুই-চার কোয়া রসুন দুইচা চামচ মধুর সাথে দিনে দুই বার সেবন করলে সাইনোসাইটিস ভালো হয়।পেঁয়াজ : প্রতিদিন এক চা চামচ পেঁয়াজের রস একচা চামচ মধুর সাথে সেবন করলে সাইনোসাইটিস ভালো হয়ে যাবে।গোলমরিচ : পাঁচ গ্রাম গোলমরিচ চূর্ণ এক গ্লাসগরম দুধের সাথে সেবন করলে সাইনোসাইটিস দূর হয়ে যায়।আদা : নিয়মিত আদার রস এক চা চামচ পরিমাণ সাথেএক চামচ মধুসহ সেবন করলে সাইনোসাইটিসজনিত মাথাব্যথা দূর হয়।গোল্ডেনসিয়াল : দক্ষিণ আমেরিকার এ ভেষজটিঅ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে খুবই কার্যকর। এ ভেষজে বেরবেরিন এবং হাইড্রস্টিন বিদ্যমান,যা সাইনোসাইটিস প্রতিরোধে খুবই কার্যকর।যষ্টিমধু : গবেষণায় দেখা গেছে, যষ্টিমধুঅ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিভাইরাল হিসেবে কাজ করে এবং শ্বসনতন্ত্রের প্রদাহ দূরকরে। তাই যষ্টিমধু সাইনোসাইটিস প্রতিরোধে খুবই কার্যকর।পুদিনা তেল : পুদিনার তেল সাইনোসাইটিসজনিতমাথাব্যথা, নাক ও মুখমণ্ডলের ব্যথা দূর করতে কার্যকর।ইউক্যালিপটাস তেল : ইউক্যালিপটাস তেল খুব ভালোঅ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে। তাই ইউক্যালিপটাস তেল ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনজনিতসাইনোসাইটিস দূর করে।লেমন বাল্ম : সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে,অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়া, অ্যান্টিহিস্টামিটিকব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে এবং সাইনোসাইটিস প্রতিরোধে ভালো কাজ করে।ম্যাসাজ থেরাপিঃ-তিলতেল: তিলতেল দিয়ে নিয়মিত ম্যাসাজ করলেসাইনোসাইটিস ভালো হয়।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও