প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। অনিয়মিত পিরিয়ড বলতে ২১ দিনের আগে এবং ৩৬ দিনের পরের পিরিয়ডকে বুঝায়। প্রথম কয়েক বছর প্রাথমিক  পর্যায়ে পিরিয়ড অনিয়মিত হতে পারে হরমোনাল ব্যালান্সের উঠানামার কারণে। এটা জানা জরুরী আপনার বয়স কত? কখন আপনার প্রথম পিরিয়ড শুরু হয়েছে?  সব সময়েই তা অনিয়মিত ছিল কিনা? অন্য কোন উপসর্গ ?  আপনার অন্য কোন সমস্যা বা স্ত্রী- রোগ আছে কিনা?অনেক কারণেই আপনার পিরিয়ড প্রভাবিত হতে পারে, জীবন - যাত্রার ধারা পাল্টানো যেমন-হঠাত ওজন অনেক কমে যাওয়া,অধিক ব্যায়াম ও অধিক দুঃশ্চিন্তা,থাইরয়েডের সমস্যা, contraceptive বন্ধ করা অথবা চিকিৎসা বা স্ত্রী-রোগ বিষয়ক অবস্হা।যাহোক আপনার  যদি প্রায়ই ঘন ঘন অথবা  অনেক সময়ের ব্যাবধানে পিরিয়ড হয় তাহলে কিছু  মেডিকেল কনডিশনকে বাতিল করার জন্য একজন gynaecologist এর সাথে আলোচনা করা প্রয়োজন ।মানুষিক স্বাস্থ্য শারীরিক স্বাস্থ্যের মত গুরুত্বপুর্ন আর মন মানুষিক স্বাস্থ্যের সাথে জড়িত।  ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক কারনসহ বিভিন্ন করনে আমাদের মনে খারাপলাগা কাজ করতে পারে তাইনা? প্রিয় গ্রাহক কতদিন থেকে আপনার খারাপ লাগা কাজ করছে?  ও খারাপ লাগার কারনটি কি আমার সাথে শেয়ার করা যায়? মন খারাপ থাকাই আপনি কেমন অনুভব করছন  বা আপনার কি চিন্তা হচ্ছে তাকি আমাকে জানানো  যায়? মন খারাপ হওয়ার কারনগুলো সনাক্ত করতে পারলে মন ভালো করা সহজ হয়ে থাকে। তাই মন খারাপ হওয়ার কারনটি সনাক্ত করা যায় কিনা ভেবে দেখতে পারেন। নিজের মন ভালো রাখার জন্য নিচের টিপ অনুসরণ করা যায় কিনা ভেবে দেখতে পারেন,১. নিয়মিত নিজের ইতিবাচক চিন্তাভাবনা গুলো খাতাই লিপিবদ্ধ করার অভ্যাস করতে পারেন, ফলে আপনার দৈনন্দিন চিন্তাই ইতিবাচক ভাব প্রকাশিত হবে, যা আপনার মনকে ভালো থাকতে হেল্প করতে পারে।২.নিজেকে অন্যের সাথে তুলনাকরা থেকে বিরত থাকুন,  কারন তুলনা মানুষের ভিতিরে ঈর্ষান্বত মনোভাব তৈরী করে থাকে। এতে মন আক্রন্ত, ফলে মনের শান্তি নষ্ট হয়। নিজের মনকে ভালো রাখতে নিজেকে অন্যে র সাথে না মেলান ভাল হতে পারে। ৩.অন্যের সফলতাকে ইতিবাচক ভাবে গ্রহণ করার অভ্যাস করতে পারেন, এতে করে আপনার মাঝে সফলতা লাভের ইচ্ছা বাড়তে পারে, যা আপনার মনকে ভাল রাখতে সাহায্য করতে পারে৪. অতি নেতিবাচক মানুষের সাথে মেশা বা ঘুরা বন্ধ করতে পারেন, কারন নেতিবাচক মানুষের সংস্পর্ষে আপনিও নেতিবাচক হয়ে যেতে পারেন।  তাই সফলদের সাথে মেশার অভ্যাস করতে পারেন।৫.  নিয়মিত খেলাধুলার অভ্যাস গড়ে তোলা যাই কিনা ভেবে দেখতে পারে। কারন নিয়মিত খালাধুলা মন ভালো রাখার অক্সিজেন যোগাই। ৬.  নিয়মিত প্রার্থনা, স্বাভাবিক ব্যাম, mindfulness exercise ও মন খারাপ থাকলে প্রিয়োজনদের নিয়ে পছন্দে কথাও ঘুরে আসা মন ভালো করতে সাহায্য করে থাকে। মনভাল করার জন্য উপরের এই টিপসগুলো ব্যবহার করে দেখতে পারেন। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও