আমার বয়স ২৪ ।দেশের সেরা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনাল ইয়ারে পড়ছি।সমস্যাটার শুরু অনেক আগে।যখন আমি ক্লাস সেভেন কিংবা এইটে পড়ি।তখন কোন এক কারণে হস্তমৈথুনের অভ্যাস গড়ে ওঠে।সে অভ্যাসটা আজ পর্যন্ত রয়ে গেছে‌।অভ্যাস এতটাই যে সপ্তাহে ৪-৫ বার হত।এমনো দিন গেছে দিনেই হয়তো ৩-৪ বার হয়েছে।বর্তমানে যদিও কম তবুও সপ্তাহে ২-৩ বার হয়।এখন খুব অল্প সময়েই বীর্য বের হয়ে যায় এবং অনেক পাতলা।প্রস্রাবে কোনো জ্বালাপোড়া নেই তবে প্রস্রাব করার অনেক পরে দুই এক ফোটা প্রস্রাব পড়ে।এমনিতে নিয়মিত পায়খানা হয়।আমি অনেক চেষ্টা করেও হস্তমৈথুন করা থেকে বিরত রাখতে পারছিনা নিজেকে। এখন আমার চেহারা খুবই শুকনা।যথেষ্ট খাওয়ার পরেও খুব উন্নতি নেই। আমার সঙ্গে একটা মেয়ের সম্পর্ক আছে প্রায় ৭ বছরের।আমাদের মধ্যে কখনো শারীরিক সম্পর্ক হয়নি।আমরা দুজন যথেষ্ট দূরে বর্তমানে ভার্সিটির ভিন্নতার কারণে।কিন্তু এমনিতে যখন আমাদের দেখ হয় সে কয়েকদিন আমরা যথেষ্ট ঘনিষ্ঠ থাকি।ও যখন আমার সাথে থাকে তখন আমার অভ্যাসটা আর থাকেনা কিন্তু যখনই দূরে থাকি কন্ট্রোল করতে পারিনা।আমাদের দুই ফ্যামিলি রিলেশন এর ব্যাপারে জানে এবং পড়া শেষ হলে বিয়ের কথাও পাকা। যার সাথে সম্পর্ক তার অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা।প্রায় তিনবছর থেকে ঔষধ খেয়েও এখনো ঠিক হয়নি এবং গর্ভনিরোধক (ডক্টর যা দিছেন) ঔষধ খাওয়াতে সে যথেষ্ট মোটা হয়ে যায়।আমরা সমবয়সী। এমন অবস্থায় বাসায় বর্তমানে বিয়ের কথা বললে তারা রাজি হয়নি।ফলে পারিবারিক ভাবে বিয়ের জন্য আরো প্রায় ২ বছর অপেক্ষা করতে হবে। এ অবস্থায় ২ বছর অপেক্ষা করলে সমস্যা হবে কি? আর আমাদের করণীয় কি হতে পারে?বিয়ে করলে দ্রুত বীর্যপাতের দরুন সমস্যা হবে কি?এর সমাধান কি হবে? ধন্যবাদ

হস্তমৈথুন হল আপনার জননেন্দ্রিয় বা জেনিটাল (genital) কে উদ্দীপিত করা ওরগাজম এর লক্ষ্যে।  হস্তমৈথুন একটি স্বাভাবিক এবং প্রচলিত প্রক্রিয়া। এর ফলে শুক্রাণু বা স্পার্ম (sperm) এর কোন ক্ষতি বা হ্রাস করে না। তবুও আপনি যদি প্রায়ই হস্তমৈথুন  করেন তাহলে আপনার বীর্য কিছুটা তরল দেখা যেতে পারে। হস্তমৈথুন তখনই সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় যদি এটা আপনার  স্বাভাবিক জীবন -যাত্রা যেমন স্কুলে যাওয়া, কাজে যাওয়া বা মানুষের  সাথে মেলামেশায় বাধা সৃষ্টি করে। যদি আপনার জীবনে এরকম ঘটে তখন আপনি নীচে উল্লেখিত বিষয়গুলো চেষ্টা করতে পারেন—     * কমিয়ে  ফেলা বা বন্ধ করা                *ব্যায়াম                                                    * পর্নগ্রাফী এড়িয়ে চলা                                     *নতুন হস্তমৈথুনকোন শখের দিকে আগ্রহী হওয়া          * বন্ধুত্ব পূর্ণ সুস্থ সুন্দর সম্পর্ক সৃষ্টি করাহস্তমৈথুনের পর নতুন করে বীর্য তৈরী হয় এবং বীর্যের ঘাটতি পূরণ হয়ে যায়। সুতরাং হস্তমৈথুন করলে যৌন ক্ষমতা কমে যায় না।নানাবিধ স্বাভাবিক বা অস্বাভাবিক কারণে বারবার প্রস্রাবের প্রবণতা দেখা দিতে পারে, আবার কমেও যেতে পারে। যদি অতিরিক্ত পানি বা তরলজাতীয় খাবার খেলে, তবে প্রস্রাবের পরিমাণ বেশি হয়, বারবার প্রস্রাব হয়। বারবার প্রস্রাব হয় ডায়াবেটিসেও।  প্রোস্টেট গ্রন্থি প্রস্রাব প্রবাহে বাধার সৃষ্টি করে। ফলে প্রস্রাবের থলি সব সময় সম্পূর্ণ খালি হয় না। আর বৃদ্ধি পাওয়া প্রোস্টেট সৃষ্টি করে প্রস্রাবের থলির মুখে এক ধরনের অস্বস্তি।তাছাড়া মুত্রথলিতে সমস্যা, স্নায় দূর্বলতা তেও এই সমস্যা হতে পারে, এরজন্য একজন ইউরোলজিস্ট দেখিয়ে পরামর্শ নিতে হবে। অনিয়মিত মাসিক অনেক কারনেই হতে পারে, এরজন্য গাইনী ডাক্তারের পরামর্শে চিকিৎসা করাতে হবে, যদি ঔষধ খেয়ে কোন পার্শ প্রতিক্রিয়া হয়, বা অতিরিক্ত মোটা হওয়ার প্রবনতা দেখা দেয়, তাহলে ডাক্তারের কাছে পূনরায় গিয়ে পরামর্শ নিতে হবে। 

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও