মূলত তিন সপ্তাহের অধিক সময় ধরে কাশি যক্ষা রোগের প্রধান ও প্রথম লক্ষণ। তবে শিশু যক্ষ্মা রোগী শনাক্তকরণ বেশ কঠিন। এক্ষেত্রে কিছু কিছু উপসর্গ দেখা দিলে যক্ষ্মা আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা যায়। পরে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া যায়। শিশু যক্ষ্মার উপসর্গ বা লক্ষণ গুলো হলোঃ ১. একনাগারে দুই সপ্তাহের বেশি কাশি যা সাধারণ এন্টিবায়োটিকে সারছে না। ২. একনাগারে দুই সপ্তাহের বেশি জ্বর, যা টাইফয়েড, ম্যালেরিয়া বা নিউমোনিয়ার কারণে নয়। ৩. তিন মাস ধরে শিশুর ওজন বাড়ছে না বা ওজন কমে যাচ্ছে। ৪. শিশুর খেলাধুলায় আকর্ষণ কমছে বা দিন দিন নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে। ৫. মারাত্মক অপুষ্টি এবং ৬. যেটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তাহলো শিশুর পরিবারে বা আশপাশে যক্ষা রোগী থাকা। উপরের যেকোনো উপসর্গ দেখা দিলে শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে বা চিকিৎসককে দেখাতে হবে। শিশুর যক্ষ্মা নির্ণয় করা বেশ কঠিন। শিশুর কফে যক্ষ্মার জীবাণু বেশ কম থাকে তাই কফ পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া যায় না। আবার ছোট শিশুরা কফ ঠিকমতো দিতেও পারে না। আট বছরের বেশি শিশুদের কফ পরীক্ষা করা গেলেও এর কম বয়সীদের কফ ইনডাকশন করে বের করা যায়। ছোট শিশুদের পাকস্থলির রস পরীক্ষা করে যক্ষায় আক্রান্ত কি না নিশ্চিত হওয়া যায়। এ ছাড়া এমটি টেস্ট করেও ধারণা করা যায়। বুকের এক্সরে করেও নিশ্চিত হওয়া যায়। বড়দের বুকের এক্সরে-তে যেমন ক্যাভিটি পাওয়া যায় শিশুদের তেমনটা পাওয়া যায় না, তাদের থাকে ডিফিউজ ওপাসিটি। এক্সট্রা পালমোনারি যক্ষ্মায় আরো ভিন্ন ভিন্ন টেস্ট করার দরকার হতে পারে।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও