আপা আমি ডিগ্রী  ফাইনাল year এর ছাত্র।আমি যখন  third year এ পরি,তখন থেকে একটা মেয়েকে নিজের অজান্তেই ভালবেসে ফেলি।মেয়েটা আমার ক্লাসমেট। আমি ক্লাসের ভাল student হওয়ায়,সে first year থেকেই আমার সাথে যোগাযোগ রাখতো আর বিভিন্নভাবে আমার কাছ থেকে help নিতো।আমি যে তঁাকে ভালবাসি,সে তা ভাল করেই বুঝে।কিন্তু বর্তমান সময়ে এসে,সে এমন কতগুলো কাজ করে ফেলেছে,যেগুলো আমাকে ভীষণ কষ্ট দিয়েছে।তাই  বাধ্য হয়ে আমিও  দূরে সরে যাওয়ার জন্য চাচ্ছিলাম।কিন্তু তঁার কোন problem বা কষ্ট দেখলে,আমি চুপ করে বসেও থাকতে পরিনা।এখন আমি কী করব আপা???না পারতেছি নিজের কষ্টগুলো বয়ে বেরাতে,না পারতেছি কারো সাথে ব্যাপারটা share করতে। এখন আমি কীভাবে তঁার কাছ থেকে দূরে সরে যেতে পারি,আর কীভাবে মনের সকল কষ্টগুলো ভুলে থাকতে পরি?? please জানাবেন....

প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমি অনুভব করতে পারছি আপনার কষ্টের জায়গাটা। আপনি বলছিলেন আপনি যাকে ভালোবাসেন তার কিছু আচরণে আপনি কষ্ট পেয়েছেন। আপনি যে তাকে ভালবাসেন সে কি বিষয়টা জানে?? আপনার কষ্টের জায়গাটা আপনি কি তার কাছে শেয়ার করেছেন?? আপনি আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন তাহলে আপনাকে ও আপনার পরিস্থিতিটা বুঝতে আমাদের জন্য সুবিধা হবে। তার থেকে দূরে থাকতে চান,, আপনার মনের কষ্টগুলো ভুলে থাকতে চান। আপনার কি তার সাথে নিয়মিত দেখা হয়?? তবে আপনি, নিজের প্রতি মনোযোগ দিতে পারেন। ৪. নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারেন। কি কি করতে আপনার ভাল লাগে? কি করে আপনি আনন্দ পান? আপনার পছন্দের কাজ গুলো কি কি? আপনার জীবনের জন্য কোন কাজ গুলো গুরুত্বপূর্ন সেগুলো ভেবে একটা তালিকা তৈরি করতে পারেন। এবং সে অনুযায়ি আপনার পরবর্তি করনীয় ঠিক করতে পারেন। নিজের প্রতি এবং আপনার ভবিষ্যৎ জীবনের প্রতি গুরুত্ব দিতে পারেন। ৫. আপনার সামাজিক কার্যক্রম বাড়াতে পারেন। আপনার বন্ধু- বান্ধব, আত্নীয়- স্বজন ও আপনার অন্যান্য কাছের মানুষদের সাথে যোগাযোগ বাড়িয়ে দিতে পারেন। নতুন নতুন মানুষের সাথে মিশতে চেষ্টা করতে পারেন। এছাড়া অন্যান্য সামাজিক কার্যক্রম যেমন গরিব বাচ্চাদের পড়ানো, কাউকে সাহায্য করা ...... ইত্যাদি আপনার পছন্দ , সুযোগ ও সামর্থ অনুযায়ী চাইলে করতে পারেন। ৬. নিয়মিত খাবার খাওয়া, প্রয়োজন মন ঘুমানো ও প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময় শরীর চর্চা করতে পারেন। এগুলো আপনাকে শারীরিক ভাবে সুস্থ রাখার পাশাপাশি মানসিক ভাবেও উদ্যমি রাখতে সহায়তা করবে। ৭. একটা প্রতিদিনের রুটিন তৈরি করতে পারেন এবং সেটাকে মেনে চলার অভ্যাস তৈরি করতে পারেন। ৮. আপনার করনীয় কাজ গুলোকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করতে পারেন, তাহলে আপনি আপনার অগ্রগতিটা ভাল ভাবে বুঝতে পারাবেন। ৯. আপনি প্রয়োজন মনে করলে ভাল কোন কাউন্সেলিং সাইকোলজিস্ট এর সাথে কথা বলতে পারেন, দেখাতে পারেন। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও