সম্মানিত গ্রাহক, আমাদের সাথে আপনার সমস্যা শেয়ার করবার জন্যে ধন্যবাদ| অনিয়মিত পিরিয়ড বলতে ২১ দিনের আগে এবং ৩৬ দিনের পরের পিরিয়ডকে বুঝায়।  প্রথম কয়েক বছর প্রাথমিক পর্যায়ে পিরিয়ড অনিয়মিত হতে পারে হরমোনাল ব্যালান্সের উঠানামার কারণে।  এটা জানা জরুরী কখন আপনার পিরিয়ড শুরু হয়েছে?প্রথমে অনিয়মিত ছিল কি না? অন্য কোন উপসর্গ ? আপনি কোন ওষুধ খান কিনা?আপনার অন্য কোন সমস্যা বা স্ত্রী- রোগ আছে কিনা? অনেক কারণেই অাপনার পিরিয়ড প্রভাবিত হতে পারে, জীবন - যাএার ধারা পাল্টানো,চিকিৎসা বা স্ত্রী-রোগ বিষয়ক অবস্হা। যাহোক আপনার যদি প্রায়ই ঘন ঘন অথবা অনেক সময়ের ব্যাবধানে পিরিয়ড হয় তাহলে কিছু মেডিকেল কনডিশনকে বাতিল করার জন্য একজন gynaecologist এর সাথে আলোচনা করা প্রয়োজন  প্রথম মাসিক শুরু হবার পর ৫-৭ বছর পর্যন্ত মাসিক অনিয়মিত হতে পারে , তবে এর পর নিয়মিত হয়ে যাবার কথা। মাসিক ২৮-৩৫ দিন পর পর প্রতি মাসে হয়াটা কাংক্ষিত । তবে যদি আপনার মাসিকের সময় বেশি রক্ত পাত হয় /পেটে খুব বেশি ব্যথা হয় তবে একজন গাইনির ডাক্তারের সাথে আলাপ করাই ভালো। সাধারনত পলিসিস্টিক ওভারির জন্য অনিয়মিত মাসিক হতে পারে । তাই আল্ট্রাসনোগ্রাম করিয়ে নেয়াটা খুব জরুরি । আবার থাইরয়েড হরমোন কিংবা প্রল্যক্টিন হরমনের পরিমানে পরিবর্তনের জন্য ও মাসিক অনিয়মিত হতে পারে তাই এই হরমনের পরিমান জেনে নেওয়াটা ও জরুরি। অনেক সময় দেখা যায় যে এ সব কিছুর রিপোর্ট ই নরমাল কিন্তু অনিয়মিত মাসিক আছে সেক্ষেত্রে ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখাটা জরুরি । জন্মনিয়ন্ত্রন পিল খেয়ে মাসিক নিয়মিত করে নিতে পারেন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি|আর কোন প্রশ্ন থাকলে জানাবেন। রয়েছি পাশে সবসময়| মায়া আপা।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও