শিশুর বয়স যেহেতু ছয় মাসের বেশি, তাহলে অল্প অল্প করে পানি, তরল ও নরম খাবার বারবার খাওয়াবেন। তখন একটু লেবু-র সরবত, আদা-র রস, তুলসীপাতার রস কিংবা মধু খাওয়াতে পারেন। শিশুকে ঘরে তৈরি করা খাবার দিন, বাইরের কোনো কাশির ওষুধ দেবেন না।সঙ্গে জ্বর ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি হয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খাওয়াতে হবে। শিশুকে উষ্ণ রাখতে চেষ্টা করুন। কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছে দিন। সর্দির কারণে নাক বন্ধ হয়ে গেলে বা নাক দিয়ে শব্দও হলেও খুব চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। এ ক্ষেত্রে নরম কাপড় দিয়ে নাকটা পরিষ্কার করে দিন।।ঠান্ডা লাগার সাধারণ লক্ষণগুলোর সঙ্গে শিশু দ্রুত, ঘন ঘন শ্বাস নেয় এবং বুকের পাঁজর ভেতরের দিকে ঢুকে যায়। তাই ঠান্ডা লাগলে শিশুর বুকের দিকে খেয়াল রাখুন। এ ছাড়া শিশু নিস্তেজ হয়ে পড়ে, খাওয়া বন্ধ করে দেয়, জ্বরের সঙ্গে খিঁচুনি থাকে, অতিরিক্ত কাশির কারণে ঘুমাতে পারে না অথবা শিশু যা খায়, তার সবই বমি করে দেয়। তাহলে হাসপাতালে নিয়ে যান অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও