প্রশ্ন সমূহ
আর্টিকেল
মায়া শপ

মায়া প্রশ্নের বিস্তারিত


প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গ্রাহক আসলে সীদ্ধান্ত নেয়াটাই হলো আসল ব্যাপার। মাইনাস পাওয়ারের রোগীদের রেটিনায় কিছু সমস্যা থাকেই। যেমন একটি ছোট বেলুনকে যদি আমরা বড় করে ফুলাই, আমরা দেখব, এর গায়ে কিছু পাতলা পাতলা দুর্বল অংশ দেখায়। যেখান থেকে বেলুনটা ফেটে যেতে পারে। মাইনাস পাওয়ারের রোগীদের চোখের ভেতরটা কলসির মতো বড়। সামনে থেকে তো সবার একই। পিছন দিকে বড় থাকে। সেখানেও রেটিনায় কিছু ত্রুটি থাকে। সেটা আমরা রেটিনা সার্জনকে দিয়ে আগে দেখিয়ে নিই। দেখা গেল এর মেরামত করতে হবে। এরও এক ধরনের লেজার রয়েছে। লেজার করে মেরামত করে দিলে নিশ্চিত করে দিলাম লেসিক হয়েছে। আর করা যায় না কেন? যাদের খুব শুষ্ক চোখ, অল্পই চোখ শুকিয়ে যায়। আর শুষ্ক চোখ একটি রোগ। এই রোগ যদি কারো থাকে, তাকে আমরা এড়িয়ে যেতে বলি। নম্বর তিন হলো, যদি চোখে কেরাটোকোনাস নামে কোনো রোগ থাকে তাহলে করতে সমস্যা হয়। কেরাটোকোনাস কর্নিয়ার একটি রোগ। কর্নিয়ার এ ধরনের রোগ থাকলে তাকে আমরা লেসিক করলে কর্নিয়া আরো দুর্বল হতে পারে, পাতলা হতে পারে। তার জন্য আমরা অন্য চিকিৎসায় চলে যাই, লেসিক তার জন্য আমরা করি না। আর কিছু ক্ষেত্রে লেসিক করা যায় না। মনে করেন যে একজন মাইনাস ১৮ পাওয়ার নিয়ে আসছে। তাকে লেসিক করা যায় না। কর্নিয়ার ওপর সার্জারি করবোতো, কিছু কর্নিয়া ক্ষয় করতে হবে। তো অতটা ক্ষয় করা যায় না। এর জন্য অন্য ব্যবস্থা রয়েছে। এর জন্য চোখের ভেতরে যেমন আমরা বাইরে দিয়ে কনট্যাক্ট লেন্স পড়ি, চোখের ভেতরে বাড়তি একটি কনট্যাক্ট লেন্স লাগিয়ে দিতে পারি। এতে তার প্রাকৃতিক কর্নিয়াও ঠিক থাকলো, প্রাকৃতিক যে লেন্স রয়েছে চোখের ভেতর সেটিও ঠিক থাকল। লেন্সটা চোখের ভেতর দিয়ে দিলে দূরে কাছে সবকিছু স্বাভাবিকভাবে দিতে পারবে। এবং কোনো ব্যবস্থাপনা লাগবে না। এটি নির্দিষ্টভাবে চোখের ভেতর দিয়ে দিল। এটাও আমরা করছি। এটা আমাদের দেশে আগে ছিল না। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।


প্রশ্ন করুন আপনিও