আজকাল প্রায় সব গর্ভবতী মহিলাকে তাদের গর্ভকালীন সময়ের প্রথম তিন মাস অতিক্রম করার পর আলট্রাসাউন্ড (আলট্রাসনোগ্রাম) করার পরামর্শ দেয়া হয়। Anomaly Scan করার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় গর্ভাবস্থার ১৮ থেকে ২২ সপ্তাহ (পঞ্চম মাস)। এ প্রক্রিয়ায় স্ক্রিন এ গর্ভস্থ শিশুর শারীরিক আকার অনেকখানি স্পষ্ট ভাবে দেখা যায় এবং বাচ্চার লিঙ্গ বা জেন্ডার সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়। তবে এ স্ক্যানটি করার মূল কারণ হোল- গর্ভস্থ শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি হচ্ছে কিনা বা কোন শারীরিক অস্বাভাবিকতা আছে কিনা তা খুঁটিয়ে দেখা, Anencephaly ( মাথার কিছু অংশ না থাকা), Hydrocephaly (মাথায় পানি জমে মাথা বড় হয়ে যাওয়া) ও মস্তিষ্কের ভেতরের ও মুখমণ্ডলের (যেমন- কাটা ঠোঁট/Cleft lip) বিভিন্ন অংশের জন্মগত ত্রুটি, ভ্রুনের শরীরের বিভিন্ন অন্ত্র (হার্ট, পাকস্থলীর দেয়াল বা কিডনি), পেশী বা অঙ্গের ত্রুটি, মেরুদণ্ডের ত্রুটি, এবং আরও বেশ কিছু শারীরিক ত্রুটি Anomaly Scan এ ধরা পড়ে যা সাধারণ আলট্রাসাউন্ড ইমেজে তেমন বোঝা যায়না।  

গ্রাহক ঘারের কালোর জন্য মধুতে একটু লেবুর রস মিশিয়ে ঘস্তে পারেন, আপনার সমস্যা না হলে সব কাজ করা যাবে, কিন্তু বেশী ভারী জিনিস না তুলাই ভালো।  

সমস্যা নিয়ে বসে থাকবেন না !

পরিচয় গোপন রেখে ফ্রি বিশেষজ্ঞ পরামর্শ পেতে

প্রশ্ন করুন এখনই

মায়া অ্যাপে পড়ুন