গ্রাহক,আপনার বয়স কত?কত দিন ধরে এই সমস্যা? কোষ্ঠ্যকাঠিন্য  প্রতিরোধের জন্য কিছু কাজ করতে পারেন –১) আঁশযুক্ত খাবারআপনার খাদ্যতালিকায় যেন যথেষ্ট পরিমাণ আঁশযুক্ত খাবার থাকে। অনেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিই আঁশযুক্ত খাবার খুব একটা খান না। প্রতিদিন অন্তত ১৮ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার আপনাকে খেতেই হবে। নিচের খাবারগুলোর মাধ্যমে আপনি আঁশযুক্ত খাবারের পরিমাণ বাড়াতে পারেন –ফলসবজিলাল চালপ্রাকৃতিক গমের পাস্তাআশযুক্ত আটার রুটিবিভিন্ন সবজির বীচিবাদামযবের তৈরি খাবার (oat)প্রতিদিন আঁশযুক্ত খাবার খেলে আপনার পেট নিয়মিতভাবেই পরিষ্কার থাকবে, কারণ এসব খাবার খুব দ্রুত হজম হয়ে যায়। আর আঁশযুক্ত খাবার খেলে অনেক্ষণ পর্যন্ত আপনার পেটও ভরে থাকে।যদি আপনি আপনার প্রতিদিনের খাবারে আঁশযুক্ত খাবারের পরিমাণ বাড়াতে থাকেন তাহলে সেটা একটু একটু করে বাড়ানোই ভালো। হঠাৎ করে অনেক বেশি আঁশযুক্ত খাবার খেয়ে ফেললে আপনার পেট ভারী ভারী লাগা শুরু হতে পারে। তাতে করে আপনি হয়তো অনেক বেশি বাতাস ছাড়বেন আর আপনার পেটে ব্যথাও হতে পারে।২) তরলআপনার যেন প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণ পানীয় খাওয়া হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। প্রতিদিন আপনাকে অন্তত ১.২ লিটার ( ৬ থেকে ৮ গ্লাস) পানি খেতে হবে, আর যদি আপনি ব্যায়াম করেন বা যদি অনেক গরম থাকে তাহলে আরো বেশি। চা-কফি, মদ কিংবা অন্যান্য কোমল পানীয় আস্তে আস্তে কমিয়ে দিন।৩) টয়লেটে যাওয়ার অভ্যাসটয়লেট চাপলে কখনোই দেরি করবেন না। এতে করে আপনার কোষ্ঠ্যকাঠিন্য হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। টয়লেটে যাবার সবচেয়ে ভালো সময় হচ্ছে ঘুম থেকে উঠেই কিংবা খাবার আধা ঘন্টা পর।যখন টয়লেটে যাবেন তখন যেন আপনি সময় নিয়ে এবং আরামদায়কভাবে মলত্যাগ করতে পারেন, সেদিকে খেয়াল রাখবেন।৪) ব্যায়ামচলাফেরা বা কাজের মধ্যে থাকলে আপনার কোষ্ঠ্যকাঠিন্য হবার সম্ভাবনা কমে যাবে। সবচেয়ে ভালো হয় যদি দিনে অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করতে পারেন।নিয়মিত ব্যায়াম করলে শুধু আপনার কোষ্ঠ্যকাঠিন্য হবার সম্ভাবনাই কমবে না, আপনি সুস্থ-সবল এবং ভালো মেজাজেও থাকবেন।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও