রক্তশূন্যতা আসলে রোগ নয়, রোগের উপসর্গ। নানা কারণে রক্তশূন্যতা হতে পারে। রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরির অন্যতম প্রধান কাঁচামাল হলো আয়রন। কোনো কারণে শরীরে আয়রনের উপস্থিতি কমে গেলে রক্তশূন্যতা বা এনিমিয়া হতে পারে। একে বলে আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতা। ডাক্তারি ভাষায় ‘আয়রন ডেফিসিয়েন্সি এনিমিয়া’। এ ছাড়া ভিটামিন বি ও ফলিক এসিডের অভাব, দীর্ঘমেয়াদি বিশেষ কিছু রোগ (যেমন কিডনি বিকল), বিশেষ কিছু ইনফেকশন (যেমন যক্ষা), রক্তের ক্যানসার, থ্যালাসেমিয়া, থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা, রক্ত উৎপাদনকারীর মজ্জার সমস্যা, রক্তের লোহিত কণিকা নিজে নিজে ভেঙে যাওয়া, রক্তক্ষরণ ইত্যাদি কারণে রক্তশূন্যতা হয়ে থাকে। যেসব খাবার রক্ত বাড়াতে সাহায্য করে ত হল দুধ : কম বেশি সবাই যানেন দুধ একটি আদর্শ খাবার।দুধে আছে প্রচুর ভিটামিন ও প্রোটিন।আয়রণের পরিমাণ না থাকলেও অধিকাংশ ভিটামনের বি দুধে উপস্থিত আছে। তাছাড়া দুধে আরো আছে পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম। শাক সবজি : সবজির ভিতর কচু শাক, কচুর লতি, কচু, পালং শাক, বিট, লেটুস, ব্রকোলি, ধনিয়া পাতা এবং পুদিনা পাতা ইত্যাদি খেলে শরীরের রক্তসল্পতা দূর হয়।কারণ উপরোক্ত শাক সবজিগুলোতে প্রচুর পরিমাণে আয়রণ, ভিটামিন বি-১২ , ফলিক এসিড ছাড়াও আরো অনেক উপাদান উপস্থিত। কলিজা : যারা রক্ত সল্পতায় ভুগছেন তারা বেশি করে কলিজা খান।অনেকে আছেন কলিজা পছন্দ করেন আবার অনেকে করেন না, তবে মনে রাখবেন কলিজা রক্তসল্পতা দূরীকরনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মধু : রক্তসল্পতা দূরীকরণে আর একটি খাবার হলো মধূ। মধুতে রয়েছে আয়রন, কপার ও ম্যাঙ্গানিজ।যেগুলো শরীরের হিমোগ্লোবিন প্রস্তুত করে। ফল : আয়রণ সমৃদ্ধ ফল যেমন আপেল, টমেটো ইত্যাদি খেলে রক্তসমল্পতা দূর হয়।যারা ফল খেতে পছন্দ করেন না, তার প্রয়োজনে আপলে ,টমেটোর জুস করে খেতে পারেন।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও