মায়া আপা। আমি আজ থেকে সাড়ে তিন বছর আগে একটি ছেলেকে। ভালোবেসে বিয়ে করেছিলাম। আমার  ফ্যামিলি বিরুদ্ধে চলে গেছিলাম। বিয়ে করতে গিয়ে। ছেলেটি আর আমি এক বছরের ছোট বড় ছিলাম। তারপর ছেলেটির যখন। পড়ালেখা কমপ্লিট হয়ে যায় তখন ছেলেটি ঢাকা যায়। দেড় বছর আগে আমার বাসা বিষয়টা জানাজানি হয়ে গেছিল। যে জিনিসটা। কি করে তারপরও একসেপ্ট করলেও ছেলেটির বাসা থেকে কখনোই জিনিস টা একসেপ্ট করে নাই এবং কি তার বাবা মা আমার সাথে ফোনে অনেক বাজে ব্যবহার করছে। ফ্যামিলি কে অকথ্য ভাষায় বকা বাজি করছে। আমার বাবার সাথে অনেক খারাপ ব্যবহার করছে আমার বাবাকে আমার বাবা তাদের বাসায় গিয়েছিল আমার বাবা আমার বড় ভাই ফুফাতো ভাই। অপমান করে বের করে দিচ্ছে আমার বাবার সাথে কথা বলে নেই তারপর আমি চলে আসার পর ছেলেটি আমার সাথে ভালোভাবে থাকলো আমার বাসায় আসো টুকটাক আমার ভরণপোষণ দিত কিন্তু। ঢাকা যাওয়ার পর আমার সাথে কোন প্রকার কোন যোগাযোগ রাখে নাই সে আমাকে ফোন দেয় নাই আমি ফোন দিয়ে কান্নাকাটি করছি তারপরও সে আমার। আমার কথার কোন উত্তর দেয় নাই আমি ফোন দিলে ফোন কেটে দিচ্ছে আমি না খেয়ে থাকছি না খেতে কেমন অসুস্থ হয়ে গেছিলাম। আমাকে হসপিটালে ভর্তি করতে এসে তখনো তাকে আমি আসতে বলছি যে একটা বার এসে আমাকে দেইখা যাও।সে আসে নি। তারপর আমার মুড চেঞ্জ করার জন্য বলতে পারেন বা খারাপ ডিপ্রেশন থেকে উঠার জন্য বলতে পারেন। ছেলের সাথে ফোনে কথা বলে কথা বলা শুরু করে ফেসবুকে। হ্যালো কথাবার্তা হতো কিন্তু ছেলেটার সাথে আস্তে আস্তে ওর কেয়ারিং ব্যবহার আচার আচরণ। বলা যায় যে আমি আবার ছেলেটার প্রতি উইক হয়ে পড়ি। কে আমারে ওর অবহেলা রোড দাও কষ্ট এদিকে ছেলেটার কেয়ারিং আমাকে আসলে ডাইভার্ট করে দিছে। অনেক ভালো একটা সম্পর্কে জড়িয়ে গেছি। কখন যেন আমাকে ভালোবেসে ফেলেছে কখনোই ভাবে বলা হয় না যে আমি তোমাকে ভালবাসি বাসি তোমাকে ভালোবাসি। বুঝতে পারি যে সে আমাকে ভালোবাসে আমি তাকে ভালোবাসি। কিন্তু। আসলে সেও প্রকাশ করছে আমিও প্রকাশ করছি ছেলেটা এখন বর্তমানে একটা সরকারি চাকরি করে। হাজব্যান্ড এখন পর্যন্ত কোনো  চাকরি করে না পলিটিক্স করে।  ছাত্রলীগের সাথে জড়িত পড়ালেখা করে যদি একসাথে পড়তে। তো এখানে ছেলেটা তার বাবা আমি নতুন যে ছেলেটার সাথে কথা বলি সে তার বাবা মার। সন্তান। আমার একমাত্র সন্তান। সেটা বাবা মার একমাত্র সন্তান হওয়ার পরেও তার আর কোন ভাই বোন নাই।কিন্তু সমস্যা যেটা ছেলেটা হিন্দু। এবং কি ছেলেটা হিন্দু থেকে মুসলিম হত সে রাজী আছে সে তার ভুলে যান চেঞ্জ করতে রাজি আছে সে তার নাম চেঞ্জ করতে রাজি আছে। সব কিছুতেই সে রাজি। সে সব কিছুতেই রাজি এমনকি সে তার পরিবার ছেড়ে আসতেও রাজি। আমার বাসা থেকে হয়তো বা কখনোই তাকে মেনে নিবে না। ছোট বোন আসছে তার সামনে বিয়ে বিয়ের বয়স হয়ে গেছে তাকে বিয়ে দিতে হবে। হয়তো বা কখনো মেনে নেবে না তার আমার জন্য তোমার তার বিয়ে হবে না। তো আমি এর মাঝখানে আমার যে হাজবেন্ড তার সাথে আমার যোগাযোগ বন্ধ ছিল কিন্তু পার্মানেন্টলি কোন ডিভোর্স বা ছাড়াছাড়ি কোন কিছু হয় নাই। এই ছেলেটা। ইমোশনাল ব্ল্যাকমেল করতেছে শুধুমাত্র শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য তার সাথে। আমাকে মাঝে মাঝে জোর করে ফোন দিয়ে ঢাকা যেতে বলে সে আসতে চায় সে আমার কোন ভরণ-পোষণ দেয় না কিন্তু তারপরও সে আমার আমার উপর অধিকার দেখাতে চায় এবং কি আমাকে কোন পরিচয় দেয় না। বাসায় আয়ো নিয়ে যায় না কোন কিছুই না তার বাবা মার সাথে আমি প্রকাশ করতে পারব না যে সে আমার বাসায় আসে আর থাকে। সে মাঝে মাঝে আসে এক রাত থাকে চলে যায়। এই হচ্ছে আমার হাজবেন্ডের অবস্থা সেও আমি তাকেও ছাড়তে পারতেছিনা আমি যেই সম্পর্ক হয়ে পড়ছে মনের দিক থেকে ছাড়তে পারতেছিনা আমার ফ্যামিলির কথা ডিভোর্স হয়ে যায়। মা বাবা বলে যত কষ্ট হোক তোমাকে ছাড়া থাকতে হবে। তার কথা সে আমাকে তার বাসায় নিবে না। বসে 7-8 বছর পর আলাদা বাসা নিয়ে থাকবে বর্তমানে আমার বয়স 21 বছর চলতাছে 7-8 বছর পর আমার বেবি হবে কিনা বা সংসার হবে কিনা সেটাও আমি জানি না আর এদিকে ছেলেটার প্রতি আমি  প্রশ্নটা আমার প্রতিজ্ঞা করছে আমাদের মাঝখানে শারীরিক সম্পর্ক নাই কিন্তু মনের দিক থেকে করছি এক্ষেত্রে আমি এখন বর্তমানে কি করতে পারি আমি কি আমার হাজবেন্ডের কাছে ফিরে যাবো। তার জন্য অপেক্ষা করবো নাকি আমি এই ছেলেটার। আমাকে সারা দিব নাকি আমি আমার বাবা-মার কথামত দুজনকে ছাড়া দিয়ে একা একা সারাটা জীবন পার করে দিবো। বর্তমানে কি করব আমি খুবই ডিপ্রেশনে আছি খুবই সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছি কনফিউশনে আছি যে আমি কি করব আমার মন আসলে কি চাই আমি নিজেই বুঝতেছি না একবার মনে হয় বাবা মায়ের সম্মান সব কিছুর দিকে তাকে আমার হাজব্যান্ড যেভাবে বলে সেভাবে থাকে আরেকবার মনে হয় এভাবে থাকে তো আমার সুখ নাই আমার শান্তি নাই। এদিকে শান্তি পেতে চাই না শান্তি টা দেখি আমি এখন কি করবো। ত

প্রিয় গ্রাহক,প্রথমেই আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এতো সুন্দর করে আপনার মনের অনুভূতি গুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।  দীর্ঘদিন ধরে আপনি মনোসিক ভাবে অনেক চাপে আছেন, কষ্টে আছেন। আপনার জীবনে খুব কম সময়ের মধ্যে অনেক পরিবর্তন এসেছে, এতকিছুর মধ্যেও আপনি বাস্তবিক ভাবে চিন্তা করছেন তা খুবই ইতিবাচক। মানে আপনার মধ্যে এখনো ইচ্ছাশক্তি আছে।  গ্রাহক, একটি সম্পর্ক থাকাকালীন আপনি আরেকটি সম্পর্কে জড়িয়েছেন। সব মিলিয়ে আপনি ঠিক বুঝে উঠতে পারছেন না কি করবেন। আসলে আপনার এমনটা হওয়া সাভাবিক। তবে আমি আপনাকে বলবো নিজেকে একটু সময় দেয়া যায় কিনা। ভাবার জন্য কোনো সিদ্ধান্তে না যেয়ে।  কারণ আপনার মধ্যে আবেগগুলো বেশি কাজকরছে, আবেগের বসে আমরা সাধারণত যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিতে পারিনা।  এখনই বিয়ে করতে হবে, বা সম্পর্কে জড়াতে হবে সেটাও নয়।  নিজের দিকে খেয়াল করে দেখুন আপনি কি চাচ্ছেন, আপনি কি আপনার হাসব্যান্ড এর সাথে সম্পর্ক রাখবেন নাকি এমন একজনের সাথে সম্পর্ক রাখবেন যে ভিন্ন ধর্মের। কিসে আপনি সুখী থাকতে পারবেন।  আপনি নিজেও বুঝতে পারছেন আপনাকে কে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেল করছে তাইনা? এছাড়াও আমার মনে হচ্ছে আপনার সামাজিক যোগাযোগ কম। আপনি ফ্রেন্ড দেড় সাথে থাকতে পারেন, তাদের সাথে ঘুরতে যেতে পারেন, সময় কাটাতে পারেন। এতে আপনার একাকিত্ব কমবে। দুশ্চিন্তা গুলো কম আসবে। আশা করি আপনি উপরিতো হয়েছেন। মায়া 

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও