Avatar

উত্তর করেছেন : Dr. S Roy

 

2 months ago

খাওয়া একটি শেখার প্রক্রিয়া শিশুর সুন্দর খাদ্যাভ্যাস তৈরি করতে শারীরিক বৃদ্ধির সঙ্গে । সঙ্গেই খাবারের ধরন ও পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনতে চেষ্টা করুন। প্রতিদিন একই ধরনের খাবার না দিয়ে বৈচিত্র্য আনতে চেষ্টা করুন। বিভিন্ন আকার, ঘনত্ব, স্বাদ ও রঙের খাবার দিন শিশুকে। ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের খাবারে শিশুর জিঙ্কার স্বাদ গ্রন্থিগুলো সচল হতে শুরু করে এবং শিশুরা সহজেই নানা স্বাদের খাবারে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে। ১১-২৩ মাস বয়সের মধ্যে শিশুকে নিজের হাতে খাওয়ায় ব্যাপারে পুরোপুরি অভ্যস্ত করে তুলতে হবে। দুই বছর বয়স থেকে শিশু যেন সব খাবার নিজ হাতে পরিবারের সবার সঙ্গে বসে খেতে পারে। দুই বছর পর্যন্ত অবশ্যই শিশুকে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যেতে । হবে। আপনার শিশুকে নীচের খাবারগুলো দিতে পারেন :- ১.আলু সিদ্ধ ও ডাল চটকিয়ে। ২. ডালে বা দুধে ভেজানো রুটি ৩. ফলের রস ও চটকানো ফল (দেশীয় ফল যেমন কলাপেঁপে, কাঁঠাল, পেয়ারাআম, আনারস ইত্যাদি) ৬ ভাত, মুড়ি, চিড়াদুধ দিয়ে নরম করে মেখে ৭. শাক-সর্জি, চাল, ডাল ও তেল দিয়ে নরম খিচুড়ি রান্না করে ৮. টমেটো, মটরশুটি, ফুলকপি, সীম ও অন্যান্য শাকসক্তি ভাল। করে সিদ্ধ করে চটকিয়ে। ৯. পরিমাণে স্বাভাবিক খাবার। কিন্তু তাতে ঝালও মসলা কম হতে হবে ১০. এ সমস্ত খাবারের সাথে রান্না করা মাছও চটকিয়ে দেয়া যায় ১১. খাবারের সাথে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করতে হবে শিশুকে নতুন খাবার দিতে হলে কতগুলো বিশেষ দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে, যেমনঃ শিশুর শারীরিক অবস্থাবয়স, ওজন ইত্যাদি। -শিশুটির বুয়সানুসারে শক্তি, আমিষ ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজন নির্ধারন করতে হবে। -খাবারগুলো এমনভাবে নির্বাচন করতে হবে যেন তা সহজপাচ্য, পুষ্টিমান ও সহজলভ্য হয়। শিশুকে সাধারণতঃ বাবা মায়ের সংগে বসিয়ে খাওয়াতে হবে, ফলে সে খাবারে উৎসাহ পাবে। শিশুকে কোন খাবারের জন্য জবরদস্তি করা যাবে না। শিশু ক্ষুধার্ত হলে আপনা আপনি খাবে। শিশু নুতন খাবার কতটা হজম করতে পারলো তা বোঝা যাবে তার মল দেখে ও ওজন বৃদ্ধির রেকর্ড থেকে শিশুর ক্রমবৃদ্ধির চার্ট বা কার্ড এর মাধ্যমে..

সমস্যা নিয়ে বসে থাকবেন না !

পরিচয় গোপন রেখে ফ্রি বিশেষজ্ঞ পরামর্শ পেতে

প্রশ্ন করুন এখনই

শারীরিক মানসিক সমস্যার সমাধান সহ আরও আকর্ষণীয় ফিচার মায়া অ্যাপে - On Google Play