প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করণীয়•    ডায়াবেটিস হলে খাদ্যের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয়। খাদ্যে নিয়ন্ত্রন আনা সবচেয়ে জরুরি বিষয়। শরীরে খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা ডায়াবেটিস হওয়ার আগে ও পরে একই রকম থাকে। তাই, খাদ্যের নিয়ম মেনে চলার মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি স্বাস্থ্যও ভাল রাখা যায়।•    ডায়াবেটিস যেহেতু আজীবনের রোগ, তাই সঠিক ব্যবস্থা গ্রহন করলে এই রোগকে সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। ব্যবস্থাগুলি অবশ্যই রোগীকে নিজ দায়িত্বে মেনে চলতে হবে, তবে রোগীর পরিবারের নিকট সদস্যদের সহযোগিতা এ ব্যাপারে রোগীকে অনেক সাহায্য করতে পারে। তাই এ রোগের সুচিকিৎসার জন্য রোগীর যেমন ডায়াবেটিস সর্ম্পকে ভাল জ্ঞান থাকা প্রয়োজন, একইভাবে রোগীর নিকট আত্মীয় স্বজনদেরও এই রোগ সর্ম্পকে ধারনা রাখতে হবে।•    ডায়াবেটিক রোগীদের অবশ্যই খাদ্য, ব্যায়াম এবং শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে, বিশেষ করে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে, এই দুইটি যথাযথভাবে পালন করতে পারলে রোগ নিয়ন্ত্রণে আসে।•    টাইপ-১ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে ইনসুলিন ইনজেকশনের প্রয়োজন হতে পারে। টাইপ-২ ডায়াবেটিক রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসক শর্করা কমাবার জন্য খাবার বড়ি দিতে পারেন।•    রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যায়াম বা শরীর চর্চা খুবই গূরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীর সু্‌স্থ থাকার পাশাপাশি ইনসুলিনের কার্যকারিতা ও নি:সরনের পরিমাণ বেড়ে যায়। প্রতিদিন কমপক্ষে ৪৫ মিনিট হাঁটলে শরীর যথেষ্ঠ সু্‌স্থ থাকবে। শারীরিক অসুবিধা থাকলে, যতটুকু পারা যায় কায়িক পরিশ্রম করতে হবে।বাড়তি সতর্কতা•    চিনি ও মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া একেবারেই বাদ দিতে হবে।•    চাল, আটা এবং মিষ্টি ফল ইত্যাদি কিছুটা হিসেব করে খেতে হবে।•    ডাল, শাক, সবজি, টক জাতীয় ফল ইত্যাদি আঁশবহুল খাবার বেশী করে খেতে হবে।•    উদ্ভিজ্জ তেল অর্থাৎ সয়াবিন, সরিষার তেল ইত্যাদি এবং সব ধরনের মাছ খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।•    ওজন স্বাভাবিক রাখতে হবে।•    মাংস, চর্বি, ঘি, মাখন, ডালডা ইত্যাদি ফ্যাট খাবার যতটা সম্ভব কম খেতে হবে।•    অন্য কোনও রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।নিয়মিত সতর্কতা•    নিয়মিত ব্যায়াম বা দৈহিত পরিশ্রম করতে হবে।•    ডাক্তারের পরামর্শ সঠিকভাবে মেনে চলতে হবে।•    শরীর অবশ্যই পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।•    নিয়মিত ও পরিমাণ মতো সুষম খাবার খেতে হবে।•    খাবার হতে চিনি, মিষ্টি, গুড় ও মধুযুক্ত খাবার সম্পূর্ণরুপে বাদ দিতে হবে।•    ধূমপান বন্ধ করতে হবে।•    নিয়মিত প্রস্রাব পরীক্ষা করতে হবে এবং ফলাফল প্রস্রাব পরীক্ষার বইতে লিখে রাখতে হবে•    ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসা বন্ধ রাখা যাবে না।•    শারীরিক কোন অসুবিধা দেখা দিলে দেরী না করে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।•    এখন বাজারে তাৎক্ষনিকভাবে রক্তের শর্করা পরিমাপ করার জন্য শর্করা পরিমাপক যন্ত্র পাওয়া যায়। এটা দিয়ে নিজে নিজেই রক্তের শর্করা পরিমাপ করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। আবার রক্তে শর্করা পরিমাপক বিশেষ কাঠির সাহায্যেও•    তাৎক্ষনিকভাবে রক্তে শর্করার পরিমান নির্ণয় করা যায়।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও