Popular Topics

ছোট্ট বেলা থেকে কষ্ট দেখেছি। মা বাবার ঝগড়া,অশান্তিতে নিজে সবসময় একা নিজের যোগ্যতা জয় করেছি। পড়াশোনা নিজে করতাম, কিভাবে টাকা বাচানো যায় তেমন ১/২টা বিষয় পড়ে বাকি বিষয়গুলো নিজে পড়ে নিতাম।২০/৫০টাকার বেশি চাহিদা কখনও হয়নি। একটা দামি কাপড় না কিনে ৪টা নতুন জামা বানিয়ে যাতে সুন্দর থাকতে পারি তা চাইতাম।সাজগোজ,পড়াশোনা, বাসার মানসিক ভাবে চুপচাপ থাকতাম, অশান্তি ভালো লাগতো না,কোথাও বেড়াতেও যেতাম না।ঢাকায় থাকি কিন্তু ঢাকার কোথাও জানিনা,চেনা হয়নি। মার পরিবার/বাবার পরিবার কখনও শান্তি দেখিনি। আমাদের বাড়ি,গাড়ি সব হয়।কিন্তু আমার ভাই বোন নেই। আমি একাই সন্তান রয়ে যাই। ঘরের এই পরিস্থিতিতে মানসিক,শারীরিক ভেঙে যাই। মাইগ্রেন,চশমা,মাসিক অনিয়মিত, হঠাৎ মনোযোগ হারিয়ে যাওয়া, ভাবনে, নিজের জগৎ কত না কিছু নিজেকে আবিষ্কার করি।একদিন বড় বোনের সাথে বাজি ধরে ভালবাসা খুঁজতে চাই। আমার স্বামীর সাথে আমার পরিচয় হয়। ৮বছর সম্পর্ক সহজ হয়নি। আবেগি ছিলাম... বাইরের জগৎ জানা ছিলো না। বড় আপু ফোন,মেসেজ চালানো শিখায় ক্লাস ৭ এ। ২০১২তে ওর সাথে জড়াই। ২০১৩ তে শারীরিক সম্পর্ক হয়। তারপর ২০১৫তে প্রবাসে যায় আমি রাজি ছিলাম না তাও।৪বছর প্রবাসে থাকে। বড় হই। পড়াশোনা চালাই। বর্তমানে বিবিএ ৩য় বর্ষ পড়ছি তাও জানিনা শেষ করতে পারবো নাকি। ২০১৩তে আবেগি মনে কবুল বলা হয় আজ মনে হলে হাসি পায়। আমি তাকে অনেক বিশ্বাস করেছি আর প্রাপ্যটা সে আমাকে দিয়েছে। কখন ছেড়ে যায়নি। আমরা ২জন দুই পৃথিবীর মানুষ। তার বাবা নেই। মার আরেকটি সংসার আছে।  খুব শান্ত,পড়াশোনা করেনি তেমন কিন্তু সে এতই মুগ্ধতায় ভরা যে কেউ বুঝে না,সুন্দর খুবই সেখানে আমি মোটা,দেখতেও সুন্দর না তবে গায়ের রং টা আল্লাহ দিয়েছে। গুছিয়ে ভেবে চলতে জানে। একসময় তার পরিবারের অনেক কিছু দূর থেকে দেখে প্রবাসে থাকাকলীনই আমি পরিবর্তন হই। তার মা বাবা,সত বোন, বড় আপন বোন কেমন যেন হিংসা, বিদ্বেষ,টাকা-জিনিসের লোভ দেখতে পাই। আমি যখন আসি কখনও পরিবার কি জিনিস সে জানতো না। সবসময় একা মানুষ হয়েছে,নিজের সাধ আহ্লাদ নিজে পুরণ করেছে। আমাদের মধ্যে ভালবাসা, বিশ্বাস যে সে জানে আমি তাকে ছাড়া কাউকে চাই না, আমিও জানতাম সে আমার দিকই।

Answered By : Dr.Abi

  13 hours ago

Answered By : Mamun

  14 hours ago

প্রশ্ন করুন আপনিও