Popular Topics

আমার বয়স ২৩-২৪। পড়াশোনা করি,  বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং এ। আমার বাবা,মা, ভাই বোন নিয়ে সুখী পরিবার।এতো বয়স হয়েও আমি একেবারে ইমম্যাচিউরড।নিজেকে ম্যাচিউরড হিসেবে প্রকাশ করতে চেস্টা করি সবার সামনে, কিন্তু পারি না।আসলে ভেতর থেকে ম্যাচিউরিটি  না আসলে কোন লাভ হয় না ম্যাচিউরিটির অভিনয় করে। আমার মধ্যে সবসময় ভয় কাজ করে, মানুষের কাছ থেকে সবসময় দূরে থাকি, বাসা থেকেই বেরোই না৷ মানুষের সাথে কথা বলতে নার্ভাস অনুভব করি, লজ্জা লাগে,  অস্বস্তি লাগে। এমনকি বন্ধুদের সাথে ও এইরকম হয়।  আমার মধ্যে খুব সন্দেহপ্রবণতা, সবসময় মনে হয় আমাকে নিয়ে কেউ হাসাহাসি করছে, আমাকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করছে। অপরিচিত হলে একদম ই কথা বলতে পারি না। ভয় করে, শরীর কাপে, দুর্বল অনুভব করি। আমি ইন্জিনিয়ারিং ফাইনাল ইয়ারে পড়ছি। এগুলো সমস্যা আমার ব্যক্তিগত ও কর্মজীবনে হুমকির কারণ হয়ে দাড়াচ্ছে। আপনার সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রার্থনা করছি।

Answered By : Maya Apa

  1 month ago

Answered By : AR Rahman

  2 months ago

আমি যেহেতু অন্তর্মুখী স্বভাবের এজন্য আমার বন্ধু সংখ্যাও কম।আর যাদের সাথে মিশি তাদের সাথে অনেক কাছের ভাবি।এখন যেহেতু তাদের থেকে দুরে আছি নিজেকে একা মনে হয়।মন খুলে কারো সাথে কথা বলতে পারি না।আমার একটা বান্ধবী ছিলো শুরুতে আমরা একসাথে অনেক সময় কাটালেও পরবর্তীতে সে আমাকে সময় দিতে চাইতো না নানা অজুহাত দেখাতো।তার অন্য কোথাও কাজ আছে কিনা সেটাও বলতো না,মানে আমাদের মধ্যে একমুখী যোগাযোগ হতো সে কোন কিছু শেয়ার করতো না।এগুলো তেও আমার অনেক খারাপ লাগতো।মনে হতো যেন আমার সংগ তার অপছন্দ।কিন্তু সবার সাথে সে এমন ব্যবহার করতো না তাদের সাথে সে অনেক বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবহার করতো। কিছু বলতাম না কিন্তু তার বার বার এমন ব্যবহার এর জন্য একদিন তার সাথে অনেক রাগারাগি হয় তারপর থেকে তার সাথে কথা বলিনি সেও চেষ্টা করেনি যোগাযোগ করার।শুরুতে অনেক রাগ করলেও এখন তাকে মিস করি কিন্তু তখন মনে হয় সে তো আমাকে পছন্দ করে না।এজন্য এখন একা থাকা কে বেছে নিয়েছি। সেনসিটিভ মানে আমি খুব সহজেই অন্যদের ব্যবহার এর মাধ্যমে প্রভাবিত হই এতে আমি মন খারাপ করি বা রাগ করি।

Answered By : Supporter

  3 months ago

#বয়স :২৩ লিঙ্গ :পুরুষ। অনার্স ৪র্থ বর্ষ# কাজ করা,কথা বযলা,আড্ডা তথা কোন কিছুতেই উৎসাহ বা আগ্রহ পাচ্ছিনা। সারাক্ষণ একা একা শুয়ে বসে থাকছি।খুব অস্থিরতা কাজ করে সবসময়।সহজেই কোন কিছু ভুলে যাচ্ছি।নিজের,পরিবারের,সমাজের প্রত‍্যাশা অনুযায়ী রোল প্লে করতে পারছিনা।কাউকে আমার বর্তমান অবস্থা বুঝিয়েও বলতে পারছিনা।বললেও কেউ বুঝবে তেমনটা ভরসা পাচ্ছিনা।বন্ধু-বান্ধব,আত্মীয়-পরিজন সবার কাছ থেকে নিজেকে অনেকটাই গুটিয়ে নিয়েছি এবং নিচ্ছি।মনে হচ্ছে এসব আচরণ লোকজন খারাপ ভাবে নিচ্ছে,যা আমাকে প্রতিনিয়ত কষ্ট দিচ্ছে।প্রচুর এ‍্যাংজাইটি কাজ করে।ওষুধ খেয়েও ভাল ঘুম হচ্ছে না।দীর্ঘদিন যাবৎ ওষুধ খাচ্ছি।সেই ২০১৩ সাল থেকে অনিয়মিত বিরতিতে amilin-10mg,paise-0.5 ট‍্যাবলেট ডোজ বাড়িয়ে কমিয়ে খাচ্ছি।উল্লেখ‍্য যে,২০১৩ সালে নবম শ্রেণিতে (মাদ্রাসা )পড়াকালিন আলিম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সাথে সংঘর্ষ বাঁধে।যেখানে আমার নাক-মুখ দিয়ে প্রচুর রক্ত ক্ষরণ হয় এবং এতটাই ভয় পেয়েছিলাম যে,আমি ভেবেছিলাম এত রক্ত ক্ষরণ হয়েছে বুঝি আমি আর বাঁচবোনা। সারাক্ষণ কান্না করতাম।ঘুমোতে পারতামনা।বুক ধরফর করতো।ড:এম এ মোহিত কামাল স‍্যারকে দেখানোর পর তিনি ওই ওষুধগুলোসহ আরো কিছু ওষুধ দেন।অনেকটা সুস্থ অনুভব করে না জিঙ্গেস করেই ওষুধ বন্ধ করে দিই,যার ফলে কিছুদিন বাদে আবার সমস্যাটা হয়।অভাবের সংসার হওয়াতে সবসময় ওষুধ বা সমস্যার কথা বলতে পারতামনা।বললেও প্রতিকার হতনা।এখনও তারা বুঝবেনা। সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছি। আরো অনেক কথা কিন্তু আর লিখতে ভাল লাগছেনা। অনার্স ৪র্থ বর্ষ

Answered By : T.A.S

  3 months ago

Answered By : Dr. A.G

  3 months ago

প্রশ্ন করুন আপনিও