Popular Topics

আমার পরিবার এবং বাইরের লোকজনের সাথে আমার যোগাযোগ ভালো না। আমার বাবা মা দুইজনেই চাকুরিজীবী হওয়ায় আমাকে আমার বাসা ও অন্য সদস্যের দেখাশোনা করতে হয়েছে। প্রতিদিন রান্না, বাজার, বাসা মেইন্টেন করে অনার্স এবং মাস্টার্সের কঠিন পড়াশোনা এবং বিভিন্ন কোর্স চালিয়ে যাওয়া এসব আমার জন্য নতুন। কিন্তু কোনও সাহায্য বা Appreciation কিছুই পাইনি। মেয়ে হিসেবে সবটা একা সামলানোই যেন স্বাভাবিক। "Me time" বলতে কিছু ছিল না এবং বিভিন্ন ভুল ধরা হতো। একটা রিসার্চ, পড়াশোনা, কোর্স সাথে এসব.... তাও খুব চেষ্টা করেছি। তবুও পরিবারের থেকে ছোট এবং অপারগ হওয়ার তকমা, নিজের খেয়াল না রাখতে পারার কথা বলে dominate করার চেষ্টা, কাজের ত্রুটি খোঁজা এই সবই face করেছি। একটা সময় প্রেশার নিতে না পেরে সেমিস্টার ড্রপ দেই। তার অনেক আগে থেকেই অমনোযোগ এবং স্মৃতি কমে যাওয়ার ব্যাপারগুলো হচ্ছিল। তবুও আমি প্রতিদিন plan করতাম নিজের জন্য ভালো কিছু করার। শেষে আমি Dominated হতে অস্বীকার করি এবং প্রচন্ড অপমানের স্বীকার হই। নারীবাদী ট্যাগ লাগে। চরিত্রের বিভিন্ন খারাপ দিক আমাকে বলা হয়। আমার Communication Skills শূন্যের দিকে। আমি ভালো মিশতে পারিনা। আমাকে প্রতিবন্ধী বলা হয় এবং গায়ে হাত এবং পা তোলার চেষ্টা করা হয়। তারপর থেকে আমি একা থাকা শুরু করি। লোকজন আমার কখনোই পছন্দ ছিলনা। এই জীবনটা ভালো লাগে। কিন্তু নিজের জন্য আওয়াজ না তোলা এবং আরোও ভালো কিছু করতে না পারা আমাকে ভেতর থেকে অপারগ করে দিচ্ছে। আমি জানি আমাকে কি কি করতে হবে কিন্তু আমি কিছুই গভীর ভাবে অনুভব করতে পারিনা। একটা Numbness কাজ করে। হয়তো কোনও মেডিসিনের সাহায্য নেওয়াটাই আমার জন্য ভালো কাজ হবে।

Answered By : KB

  2 months ago

আসসালামু আলাইকুম। আমি ২৩ বছরের একটি মেয়ে। আমার আসল সমস্যা হচ্ছে আমি কোনো ধরনেরই সম্পর্ক গুছিয়ে রাখতে পারি না। কোনো না কোনোভাবে সব সম্পর্কই নষ্ট হয়ে যায়। 1, আমার বাবাঃ বাবার সাথে আমার সম্পর্কটা এতই অগুছালো যে, আমি জানিই না মেয়েরা বাবার সাথে কি কথা বলে। আমার আরো বোন আছেন। আমি সবসময় খেয়াল করতাম বাবা সব সময় আমার অন্য বোনদের বেশি আদর করতেন আর আমাকে কম। আগে বিষয়টা তেমন গুরুত্ব দিতাম না। আমার বয়স যখন ১৭+ তখন বিষয় গুলা খুব করে ধরা পরতে লাগলো আমার চোখে। তখন থেকেই নিজেকে বাবার কাছ থেকে গুটিয়ে নিয়েছিলাম এখন অব্দি। বাবাও তেমন ভাবে সাড়া দেন না আমার কাছে। তাই, একটু বেশিই গ্যাপ পরে গেছে। আমার অন্যান্য বোনের সাথে আমার সম্পর্ক আলহামদুলিল্লাহ ভালো। আমি আমার বাবাকে অনেক ভালোবাসি যদিও বাবা আমাকে অতোটা ভালোবাসেন না। দায়িত্ব রক্ষার্থে যতটুকু ভালোবাসলে হয় টিক ততোটুকুই ভালোবাসেন। আমার মাঃ আমি ভাবতাম আমার মা আমাকে অনেক আদর করেন। মেবি করেন। একবার খুব ভোরবেলা আমি ঘুমুচ্ছিলাম। হটাৎ আমার বুকের উপর কার স্পর্শ টের পেয়ে হালকাভাবে চোখ খোলে বোঝার চেষ্টা করলাম কে, উনি আমার এক খালু ছিলেন। তখন আমার বয়স ছিলো ১৭+/১৮। আমি কাছুমুচু হয়ে ঘুমের ভান করে রইলাম। তিনি চলে গেলেন। অনেকদিন পর বিষয়টা আম্মুর সাথে শেয়ার করেছিলা। তিনি বল্ললেন এই বিষয়ে আর কারো সাথে যেনো আলাপ না করি।এভাবেই দিন যাচ্ছিলো, আমি অই খালুকে ভক্তি করা ছেড়ে দেই। তা খালুর ছেলে মেয়ে খেয়াল করে এবং তারা চায় যে আমি তাদের বাবার কাছে ক্ষমা চাই। কিন্তু আমি ক্ষমা চাইতে চাই নি। আমার মা সবকিছু জেনেও আমাকে দিয়ে জুড়ে ক্ষমা চাইয়ে নিলো। অইদিন থেকে আমার মা এর উপড় ভরসা উঠে গেছে। কিছু শেয়ার করি না। প্লাস আমার মনে হয় আমি ইনকাম করি না বলে মায়ের কাছে আমার সামান্য গুরুত্বটুকুও নেই।  আমার বাকি সব ভাই বোন ইনকাম করেন। যদিও মায়ের সাথে অনেক অভিযোগ রয়েছে তবুও আমি আমার প্রতিটি শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে মাকে চাই-ই চাই। আমার ১ম বেস্ট ফ্রেন্ডঃ তার সাথে আমার প্রায় ৯+ বছরের বন্ধুত্ব ছিলো। উল্লিখিত খালুর মেয়ের কিছু কার্যকলাপের কারনে আমি আমার বান্ধবির কাছ থেকে নিজেকে একটু গুটিয়ে নেই। এখানে বলে রাখা ভালো আমার ডাউট হয় খুব বেশি। আর যেখানে একবার ডাউট চলে আসে অইখানে আমি আর ট্রাস্ট রাখতে পারি না। বিষয় টা ছিলোই এতো গাম্ভীর্য যে আমার ৯+ বছরের বন্ধুত্বেরও বিশ্বাস নষ্ট হয়ে যায়। অই খালুর মেয়ের সাথে আমি এখন আর কথা বলি না। অনেক গিন্না লাগে তাকে আমার। যাইহোক, আমার বান্ধবি ছিলো অনেক ইন্ট্রভার্ট। প্লাস কিছু কারনে ডিপ্রেসড ও ছিলো অই অবস্থায় আমার ট্রাস্ট ইস্যুর কারনে আমি তাকে যথারীতি ইগনোর করি প্লাস রুডলি কিছু কথাও বলে দেই। এতে সে ক্ষেপে গিয়ে আমাদের সম্পর্ক ভেংগে দেয়। এর পরে আমি দুই এক বার চেষ্টা করেছি তাকে ফিরিয়ে আনার কিন্তু সে আমার কল ধরেই নি। আমি তাকে ফিরে পেতে চাই। 😔 আমার ১ম বয়ফ্রেন্ডঃ ১৬ বছর বয়সে প্রথম রিলেশনে যাই। সম্পূর্ণ আবেগের টেলায়। এখন যেটা বোঝতে পারি যে তখন ভালোবাসা বলে কিছুই ছিলো না সব ছিলো অর প্রতি আমার আদর আর আবেগ। যাই হোক, সে ছিলো আমার থেকে বয়সে ১+ বছরের ছোট।  তবুও আমি থাকে যথেষ্ট শ্রদ্ধা দিয়ে রিলেশনে ছিলাম। তার সাথে প্রায় ২.৫+ বছরের সম্পর্ক ছিলো। শেষের দিকে এসে তার সাথে আমার অল্প একটু শারীরিক সম্পর্ক হয়ে পরে। শুধু মাত্র গায়ে হাত দেওয়া টাইপ। অই বিষয় গুলো ভালো না লাগায় বাধা দিতাম। সে ছিলো দেখতে অনেক বাজে। যদিও আল্লাহ তা'য়ালার সৃষ্টি সবাইই সুন্দর। যার কারনে সে অনেক ইন্সিকিউর ফিল করতো যে আমি যদি অন্য কাউকে পছন্দ করে ফেলি। যার কারনে ডাউট করতো অনেক। বাজে বাজে বকা দিতো। নিজের সেল্ফ রেস্পেক্ট এর কথা ভেবে নিজে থেকে ব্রেকাপ করে দেই। সে অনেক বার ক্ষমা চেয়েছিলো।  আমি ক্ষমা করে দিয়েছি তবে ফিরে যাই নি আর। ব্রেকাপের প্রায় ৪বছর হয়ে যাচ্ছে। সে এখন বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে। কয়ক মাস আগে আলাপ হয়েছিলো সে এখনো আমাকে চায়। সে দেশে ফিরলে আমাকে বিয়েও করতে চায়। কিন্তু আমি চাই না। আমি কাউকেই বিয়েও করতে চাই না। কারন আমি জানি আমি কোনো সম্পর্কই টিকিয়ে রাখতে পারবো না। আমার ভালোবাসাঃ সে ছিলো আমার খুব ভালো বন্ধু। তার কথা লিখতেও চোখে জল চলে আসছে। আমিও ছিলাম তার খুব ভালো বন্ধু। মেবি ছিলাম না। একে অপরের খারাপ সময়ে সবসময় পাশে ছিলাম। কিন্তু, সে এতো সুদর্শন আর এতো গুনে ভরা একটি ছেলে ছিলো যে আমি কখন কিভাবে তার প্রেমে পরি জানিই না। সেও ছিলো আমার থেকে বয়সে ছোট।  কি ভেবে জানি না থাকে গিয়ে বলে ফেলি যে আমি তাকে ভালোবাসি। জাস্ট এইটুকু বলে নিজেকে অর থেকে সরিয়ে নিয়ে আসি। আর সবচেয়ে কষ্টের ছিলো সে খোজ নেয়নি আমার। বললাম না গুনে ভর্তি ছেলে, পারতো সে আমার সাথে ছলনা করতে। সুযোগ ছিলো তার কাছে কিন্তু কিছুই করে নি আমার সাথে। সে আমাকে ভালোবাসে না। প্রথম প্রথম থাকে ভুলার অনেক চেষ্টা করি কিন্তু ব্যর্থ হই। পরে আর ভুলার চেষ্টা ছেড়ে দেই। তার স্মৃতি নিয়ে অনেক ভালো ছিলাম। একা ছিলাম। তবে একা একাই থাকে অনেক ভালোবাসতাম। দিনের পর দিন তার প্রতি আমার ভালোবাসা এতোটাই বেড়েছে আমি আমার সাড়াটা জীবন তার স্মৃতি নিয়ে একাই কাটিয়ে দিতে পারবো। আমি তাকে আমার লাইফে ব্যাক চাই। অন্ততঃ বন্ধু হিসেবে কিন্তু, পারছিনা। না পারার কারনেও একজন ব্যাক্তি আছেন। তিনি হলেন আমার ২য় বয়ফ্রেন্ডঃ অন্য একজনকে অফুরন্ত ভালোবেসেও তার সাথে রিলেশনে গিয়ে লাইফের সবচেয়ে বড় ভুল করি। আমার ভালোবাসার কথা থাকে সব খুলে বলি। সে অনেকটা আপ্সেট হলেও আমার প্রতি তার অত্যন্ত ভালোবাসার কারনে সে যেতে চায় নি। আর আমিও থাকে রেখে দেই আর বলি যে, হয়তো তার মাধ্যমেই আমি আমার ভালোবাসাকে ভুলতে পারবো। কিন্তু আফসোস ভুলতে পারি নি আমার ভালোবাসাকে। মিথ্যা বলি থাকে যে আমি বুলে গিয়েছি। আর তাই ২য় বয়ফ্রেন্ডের সাথে রিলেশনে অনেকটা প্রেসার নিয়ে ছিলাম। টিক বলতেও পারতাম না যে অকে বুলতে পারছি না আবার থাকেও ছাড়তে পারছিলাম না কারন সে অনেক ছেছড়ামো করতো। আমার ২য় বয়ফ্রেন্ড আমার থেকে ৩ বছরের ছোট। সে আমাকে অফুরন্ত ভালোবাসতো। আমার তার প্রতি যা ছিলো সব মায়া। তাকে আদর করে আগলে রাখতে ভালোই লাগতো। তবে মধ্য খানে আমার ভালবাসার মানুসের কথা জানা-জানি হয়ে গেলে সে ছেড়ে দেয় আমাকে। অনেক আফসোস করি এমন মায়াধারী মানুষ আমি আর পাবো না।  কয়কমাস পর সে আবার যোগাযোগ করে আর আমি আবার মিথ্যা বলি যে আমার ভালোবাসাকে আমি ভুলে গিয়েছি আর থাকেই এখন ভালোবাসি বলে আবার রিলেশন কন্টিনিউ করছি। সে এতোটাই পাগলের মত ভালোবাসে যে আমি তাহকে ছেড়ে দিলে সে আমার বাসার পাশে এসে চিৎকারে চেচামেচি ও করতে পারে। অই ভয়ে আমিও থাকে ছাড়তে চাই না। তাছাড়া, আদর টুকু এখনো অব্যাহত আছে। তাকে অনেক আদর করি আমি। মন থেকেই করি। ভালোবাসতে চাই। সে আগে থেকে একটু বদলে গেছে। কিছু বিষয়ে আমাদের মত মিলছে না। ঝামেলা হচ্ছে তবুও সেও আমাকে ছাড়তে চায় না আর আমিও ছাড়তে পারছি না। তাকে কষ্ট দিতে চাই না। আবার আমি একা থাকতেও চাই। আমি বিয়ে করতে চাই না। তাকে বুঝিয়ে বলা মুশকিল অন্তত আমার পক্ষে সম্ভব না। আমার ২য় বেস্ট ফ্রেন্ডঃ তার সাথে আমার ১৩ বছরের পরিচয়। এমন কোনো কথা ছিলো না যে আমি তার সাথে শেয়ার করি নি। আমি আমার ভালোবাসার জন্য রোজ রোজ কতবার মরতাম তা শুধু সেই জানতো। লাস্টের দিকে এসে আমার ২য় বয়ফ্রেন্ড নিয়ে মিথ্যা বলি থাকে। রিলেশনে যাই সেটা বলি নি। কিন্তু এটা বলতাম তার সাথে থেকে যে প্রেসার নিতাম। পরবর্তীতে আমার ২য় বয়ফ্রেন্ডের সাথে তার আলাপ হয়ায় সব জানাজানি হয়ে যায়। আর তখন মার ২য় বয়ফ্রেন্ডের সাথে কয়ক মাসের ব্রেকাপ ও হয়েছিলো তা উপরে উল্লেখ করেছি। আমি ভেবেছিলাম আমার বান্ধবি আমাকে এসে কষিয়ে একটা চড় মারবে আর বকবে। কিন্তু সে তা না করে। সশিয়াল মিডিয়াতে আমার ছিবির সাথে সাপের ছবি কলাজ করে দিয়েছে। আমাকে নিয়ে ইন্ডিরেক্টলি বিভিন্ন কিছু লিখতও। জিজ্ঞেস করলে বলতো না কিছু। পরে আমিই থাকে আমার লাইফ থেকে বের করে দেই। আমি থাকে ফিরে পেতে চাই না। ঘিন্না করি না। তবে চাই না। আমি খুব একা থাকতে চাই। আগে খুব বন্ধুসুলভ ছিলাম। এখন ইন্ট্রভার্ট হয়ে গিয়েছি। এ নিয়ে আমার কোনো অসুবিধা নেই। আমি ভালো আছি একা অনেক। কেউ বাসায় আসলেও বিরক্ত লাগে। কারো সাথে আলাপ করতে গেলেও বিরক্ত লাগে। আমি চাই ঈ না কারো সাথে মিশতে। আমি একলাই থাকতে চাই। 

Answered By : KB

  2 months ago

আমার মানুষিক চাপ খুব বেশি পরিমান। বুঝ হওয়ার পর থেকেই মেয়ে হওয়ার কারনে আমার পরিবার থেকে অনেক বেশী কষ্ট পেয়ে আসতেছি। আবার বিয়ের পর স্বামী, শ্বশুড়বাড়ি শুধু কষ্ট দিয়েই যাচ্ছে। আমি আগে জব করতাম। কিন্তু বর্তমানে ৩ বছরের একটি বাচ্চা আছে এবং বাহিরে জব করার মত আমি শারীরিক ভাবে ফীট নই। প্রায়ই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগতে থাকি। কিন্তু এতো অবহেলা আর তাচ্ছিল্যের মাঝে আমি মানুষিক ভাবে প্রচন্ড দূর্বল হয়ে গেছি। আমি কি করে এসব থেকে মুক্ত হতে পারি? আমার ঘাড়, মাথা সব সময় জ্যাম আর ভারী লাগে। বেশ কয়েক বছর যাবত গোটা শরীরে, পিঠে কোমরে প্রচন্ড ব্যথা। ঘরের কাজ করতে খুব কষ্ট হয়ে যায়। ঠিকঠাক ঘুম হয়না। আমি কি কোন ভাবে এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারি? আমি যে আর পারছিনা। আমার বয়স ৩৭।

Answered By : T.A.S

  2 months ago

প্রশ্ন করুন আপনিও